Tuesday, January 21, 2025

ভলিউম এনালাইসিস

> স্বাভাবিক অবস্থায় উত্থানে ভলিউম বেশি হয় পতনে ভলিউম কম হয়। ভলিউম হতে হতে প্রাইস বাড়তে বাড়তে যদি ভলিউম কম কিন্তু প্রাইস বাড়তে থাকে তখন সাবধান হতে হয়।


খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি ট্রেডিং এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি।


বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে:


১। উত্থানে ভলিউম বেশি: যখন কোনো শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে এবং সেই সঙ্গে ভলিউমও বৃদ্ধি পায়, এটি সাধারণত বাজারে শেয়ারটির প্রতি উচ্চ আগ্রহ ও চাহিদার ইঙ্গিত দেয়।


উদাহরণস্বরূপ: শেয়ারের দাম ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকায় বাড়ছে এবং দৈনিক ট্রেড ভলিউমও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২। পতনে ভলিউম কম: যদি শেয়ারের দাম কমতে থাকে কিন্তু ভলিউম কমে যায়, এটি হতে পারে দুর্বল বিক্রির চাপের ইঙ্গিত। অনেক সময় ইনভেস্টররা এই পরিস্থিতিতে ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।


৩। ভলিউম কমলেও প্রাইস বাড়ছে: যদি প্রাইস বাড়তে থাকে কিন্তু ভলিউম কমে যায়, এটি একটি সতর্ক সংকেত। এর মানে হতে পারে বাজারে আগ্রহ বা চাহিদা কমছে এবং শেয়ারটির দাম কৃত্রিমভাবে বা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে বাড়ানো হতে পারে।

এই ক্ষেত্রে যা করতে পারেন:

> টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস করুন: প্রাইস এবং ভলিউমের সম্পর্ক যাচাই করতে চার্ট ব্যবহার করুন।

> মার্কেটের ট্রেন্ড বুঝুন: এটি একটি মিথ্যা ব্রেকআউট হতে পারে।

> স্টপ লস সেট করুন: যদি দাম কমতে শুরু করে তবে দ্রুত ক্ষতি এড়ানোর জন্য স্টপ লস কার্যকর করুন।

এটি একটি কার্যকরী পর্যবেক্ষণ, এবং যারা নিয়মিত স্টক মার্কেট বিশ্লেষণ করেন তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।


Friday, January 10, 2025

লোপেইড ফান্ডামেন্টাল

লোপেইড ফান্ডামেন্টাল স্ক্রিপ্টের তালিকা, সাথে আছে মূলধনের পরিমাণ, ক্লোজ প্রাইস, ফ্লোর প্রাইস এবং ফ্লোর প্রাইস থেকে কতটুকু বেড়েছে তার পরিমাণ। 

EASTRNLUB
NORTHERN
AMBEEPHA
MONNOSTAF
SONALIANSH
PHARMAID
BDAUTOCA
GEMINISEA
RECKITTBEN
APEXFOODS
ARAMIT
NTC
DSHGARME
BANGAS
AMCL(PRAN)
APEXSPINN
GQBALLPEN
BDLAMPS
RAHIMTEXT
====
টেক্সটাইল খাতের অবস্থা অনেক আগে থেকেই ভালো নয় - বোনাস ইস্যু করে করে এগুলো নিজেকে নিজেই শেষ করে দিছে, তাই দুর্যোগ সময়ে এগুলোর অবস্থা যাচ্ছেতাই দাঁড়ায়। তবে - সামনে সবগুলো ঘুরে দাঁড়াবে তবে বেশি আশা করা উচিত হবে না।
এই খাতের কম শেয়ারের আইটেম গুলো কিন্তু সবসময় ভালো থাকে এবং সামনে আরো ভালো করবে। ততমধ্যে
আইল, AIL
আলহাজ্ব, AL-HAJTEX
আলিফ, ALIF
ডেনিম, ARGONDENIM
কেফডিল, FEKDIL
এইচএফএল, HFL
এইচআর, HRTEX
প্রাইমটেক্স, PRIMETEX
পিটিএল, PTL
সিমটেক্স, SIMTEX
ফান্ডামেন্টাল লোপেইড / লোপেইড / জাংক
কিছু দিন আগে আমি বলেছিলাম, লোপেইড শেয়ারের একটা প্রাইজ সেনসেটিভ নিউজ আসার কথা। এই মাসেই হয়তো নিউজটি চলে আসবে - সর্বোচ্চ মহল থেকে। এই নিউজকে সামনে রেখে লোপেইড গুলো ব্যাপক কালেকশন হইছে এবং হচ্ছে। এই খাতের অন্যতম কশেকটি শেয়ার হলো -
আনোয়ার,
বঙজ,
বিডিল্যাম্প,
ইকেবলস,
দেশ,
হক্কানী,
কেকিউ,
জিকিউ,
জেমাই,
ফার্মাএইড,
নর্দান,
সমরিতা,
সোনালীআশ,
ওয়াটা👌
জেড শেয়ারের কয়েকটি পুরোপুরি রেডি হয়ে গেছে - ব্যাপক টানের জন্য। এই মাসে কয়েকটি জেডের প্রাইজ সেনসেটিভ নিউজ আসবে। ওগুলো বাকি জেড গুলোকে লিড দিয়ে যাবে। এই মুহূর্তে আমার দৃষ্টিতে তিনটি আইটেম রেডি হয়ে গেছে।👌
দশ টাকার আশেপাশের কিছু মোটামুটি ভালো আইটেমের ব্যাপক উত্থান হতে পারে। যেগুলো ডবল বা তারও বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। ততমধ্যে
অলটেক্স,
ইমারতওয়েল,
গোল্ডেনসন,
কেবিপিপিএল,
সেন্টারফার্মা,
ওয়াইপিএল অন্যতম।

====
সম্ভাবনাময় লোপেইড কাকে বলে?
----------------------------------------------
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্। আমার জ্ঞানে বলে নিচের এক বা একাধিক শর্ত পালনে সমর্থ যে কোন লোপেইডও চলতি বছরে চমক দেখাতে পারে। সেগুলোই হবে সম্ভাবনাময় লোপেইড শেয়ার-
(১) কোম্পানির উৎপাদন আগে বন্ধ ছিল বর্তমানে পুনরায় উৎপাদনে গেছে বা যাচ্ছে।
(২) বিগত কয়েকবছর লভ্যাংশ দেয় নাই।কিন্তু নতুন করে উৎপাদনে যাওয়ার কারণে চলতি বছর ২/৪% লভ্যাংশ দেয়ার সম্ভাবনা আছে এবং মোটামুটি ভাল ইপিএস দেখাবে।
(৩) আগের তুলনায় কিছুটা হলেও আয়ের বৃদ্ধি হচ্ছে এবং তুলনামূলক লভ্যাংশও ২/৪% হলেও বেশী দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(৪) গ্রুপের অপর কোন লাভবান কোম্পানির সাথে মার্জ করতে যাচ্ছে। স্বাভাবিক কারণেই আয় বৃদ্ধি পাবে এবং তুলনামূলক ভাল লভ্যাংশ ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
... ইত্যাদি নানাবিধ কারণে চলতি বছরে ফ্লোর বা ফ্লোরের আশেপাশে পড়ে থাকা বেশ কিছু লোপেইড শেয়ার চমক দেখাতে পারে যা আমার বা আপনার ভাবনার বাহিরে। সেই কোম্পানিগুলো খুঁজে পেলে চোখ বন্ধ করে অন্তত এক দেড়মাসের জন্য হলেও বিনিয়োগ করে বসে থাকতে পারেন। ( ধন্যবাদ।)

====
RightClick Zakaria CVO APEXFOOD MONOSPOOL MONNOAMGL PAPERPRO SONALIPAPER SONALIANSH NTC LINDEBD AMBEEPHA AMCL(PRAN) AZIZPIPES UNILEVER BDLAMPS EASTERNLUB BDAUTOCAR SEAPEARL HAKKANIPUL GEMENISEA KAY&QUE

===
#লোপেইড আপ শেয়ার এর একটা লিস্ট দিয়ে রাখলাম বর্তমান প্রাইজ সহ ভবিষ্যতে কি হয় সেটা আমরা মিলিয়ে দেখব, NEXT BOOM BOOM
**PHARMAAID 386
***SONALIASH 341
*MONNOSTAF 795
***ARAMIT 220
**DSHGARME 110
*WATACHEM 306
*GEMINISEA 144
*NORTHER JUT 328
*"AMBPHARMA 430
***EASTRNLUB 968

====




Wednesday, January 8, 2025

Watch List

প্রিয় ইনভেস্টরস বন্ধুরা আসসালামু আলাইকুম ➤শুভেচ্ছা নিবেন।
ইতি মধ্যে নতুন বছরের জন্য ৭ টি গোপাল এপিসোড এর নাম প্রকাশ করা হয়েছিল।
GOPAL EPISODE 1➤ACMEPL
GOPAL EPISODE 2➤BEACHHATCH
GOPAL EPISODE 3➤LEGACYFOOT
GOPAL EPISODE 4➤GHCL
GOPAL EPISODE 5➤LIBRAINFUTION
GOPAL EPISODE 6➤SKTRIMS
GOPAL EPISODE 7➤NEWLINE
GOPAL EPISODE 4 বাদে বাকি সব গুলাই কম বেশি ভাল প্রফিট পেয়েছেন ➤
অত্যান্ত আশার সাথে বলছি গোপাল এপিসোড ৪, যত পেইন দিচ্ছে তত গেইন দিবে ➤ ইতিহাসের সেরা গেইন দিবে ইনশাআল্লাহ ➤
অত্যান্ত দুঃখের সাথে বলছি ➤ গ্রুপের সফলতা ৯৯% হলেও ম্যাক্সিমাম বিনিয়োগকারি মেম্বার সফল হতে পারেনি। কারন গ্রুপের প্রতি ও বাবু খানের প্রতি তাদের আস্থার সংকট ছিল ➤
আগেই বলা ছিল এবছরের সব আইটেম ইনশাআল্লাহ সফলতা পাবে। এবং সফলতা পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ
আমি কি ঠিক বলছি নাকি আমি ঠিক বলছি, আপনারাই এই গ্রুপের কালের সাক্ষি ➤
আগামিতে আরো গ্রুপ আইটেম পেতে লাইক কমেন্টস করে সাথেই থাকুন ➤

ধন্যবাদ SPECIAL FRIENDS GROUP 

=========

GOPAL EPISODE 3

খুব তাড়াতাড়ি শর্ট টার্গেট মিট করবে ইনশাআল্লাহ। লিগ্যাসি ফুটওয়্যার বাই রেঞ্জ ছিল ৪৫--৫০
শর্ট টার্গেট ছিল ৬৩ টাকা,যার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রফিট টেক করে নিবেন। ➤➤
নতুবা লং-টার্ম এর জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
নেক্সট গোপাল এপিসোড
GOPAL EPISODE 6 SKTRIMS
GOPAL EPISODE 7 NEWLINE

GOPAL EPISODE 4/18485
GUPTO GOPAL EPISODE 5/18471

1/GOPAL EPISODE 1
2/×××××××××× আপাতত অফ
3/GOPAL EPISODE 3
4/GOPAL EPISODE 4
ALSO 5/[ GUPTO GOPAL EPISODE ],, BOOM.
ALL ARE BOOM BOOM➤
Go ahead long Journey
আলহামদুলিল্লাহ
Scrip Code
1/GOPAL EPISODE 1➤18496➤BR. 11/--13/ - ACMEPL
2/GOPAL EPISODE 2➤14291 - BEACHHATCH
3/GOPAL EPISODE 3➤23636➤BR.45--50/ - LEGACYFOOT
4/GOPAL EPISODE 4➤18485➤18--22/ - GHCL
5/GUPTO GOPAL EPISODE ➤18471➤700--800/ - LIBRAINFU
ভয় করি নাকো ধারি নাকো ধার মনে আছে মোর বল,
সময় হলেই উর্ধ গগণে চলরে চলরে চল ➤
গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, গোপাল এপিসোড ৪,

===
জেড ওয়েস্ট পেপার নয় বরং গুপ্তধন।
খেলা হবে মাঠে আর দেখা হবে বিজয়ে ✌
১/২ টা করে যাত্রা শুরু হবে ইনশাআল্লাহ
SKTRIMS. NEW LINE. LIBRAINFUTION.
MIRACLEIND.LRBD....
সব জেড সব গুপ্তধন

GOPAL EPISODE 2 ➤ সৈকত (Beachhatch)
টার্গেট মিট,,বাই টার্গেট ছিল ৩০---৩৫/,
সেল টার্গেট ছিল ৮০--১০০/

গোপালের গুপ্তধন নিয়ে খেলার জন্য অস্থির হলে চলবে?
সব গুলা গোপাল এপিসোডই আগামির গুপ্তধন।
কালেকশন করতেও তো সময় লাগে।
গোপাল এপিসোড ১ বাই রেঞ্জ [১১--১২]
গোপাল এপিসোড ২ লাস্ট বাই রেঞ্জ ছিল ৩০--৩৫/ [×××]
গোপাল এপিসোড ৩[৪৫--৫০]
গোপাল এপিসোড ৪ বাই রেঞ্জ [১৮--২২]
এর মধ্যে গোপাল এপিসোড ২ কে অবমুক্ত করা হয়েছে, এবং যার যার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রফিট টেক করতে বলা হয়েছে।
আগেই বলেছিলাম গোপাল এপিসোড ২ সামনে বি ক্যাটাগরি হতে এ ক্যাটাগরিতে পদার্পণ করবে, জানিনা কি ডিভিডেন্ড দিয়েছে,গোপাল এপিসোড ২ বা বিচ হ্যাচারি.. তবে আগামীকাল গোপাল এপিসোড ২ এর নো লিমিট ডে।

গোপাল এপিসোড ১ বাই ১২/--১২.৫০
গোপাল এপিসোড ৩ বাই ৪৭--৫০/

=====

রবিবার সন্নিকটে ➤➤
বাজার যেমন আচরণই করুক >
কিছু কিছু কোম্পানির ভলিউম ও আপ্ট্রেন্ডের মাধ্যমে ইতিবাচক সম্ভাবনার জানান দেয়।
তারই রেশ ধরে ➤ ব্যাক্তিগত অভিমত ও সম্ভাবণার আশা করতেই পারি ➤➤
চার খলিফা হোক ➤
AGNISYSTEM
GHCL
KPPL
SHARPIND
প্রশ্ন হচ্ছে এই চার খলিফার কে আমির হবে?
এর বাইরে আরো কয়েকটি ➤ খলিফাদের সংগি হলে বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরতে যাচ্ছে ➤
যেমন ধরুন ➤
OIMEX
EPGL
CENTRALPHL
BEACHHATCH
ইত্যাদি
ধন্যবাদ নেক্সট আপডেট গুলা আসবে সিলেক্টিভ ও এনালাইসিস নির্ভর।

====

সালাহ্উদ্দীন আইয়ুবী ২০২৫ এর সেক্টর ওয়াইজ ওয়াচলিস্টঃ জেড ও লোপেইড বাদ দেয়া হয়েছে, কারণ এগুলোর লিস্ট লাগে না। যে কোন সময় যে কোনটা আগুন হতে পারে সুতরাং যার যে লোপেইড ও জেড আছে তারা চুপচাপ সেটাই ধরে রাখুন। ২০২৫ সাল এ ইনডেক্স এর নিয়ামক হবে ব্যাংক ও টেক্সটাইল সেক্টরের মুভমেন্টের উপর।এ দুটো বাড়লে মনে করবেন সুদিন নিকটেই। ব্যাংক সেক্টর: ১- সিটি ব্যাংক ২- ব্র‍্যাক ব্যাংক ৩- উত্তরা ব্যাংক ৪- আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৫.সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল ব্যাংক ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরঃ ১- ন্যাশনাল টিউবস ২- এটলাস বাংলা ৩- আফতাব অটো ৪- বিএসআরএম লিমিটেড ৫- এন পলিমার ফুড সেক্টরঃ এনটিসি ইউনিলিভার আরডি ফুড ফুয়েলঃ ১- এসপিসিএল ২- পদ্মা ওয়েল ৩- মেঘনা পেট্রোলিয়াম ৪.যমুনা ওয়েল ৫.পাওয়ার গ্রীড সিরামিক সেক্টর আরএকে সিরামিক মুন্নু সিরামিক ফিনান্স সেক্টর আইসিবি ইউনাইটেড ফিনান্স ন্যাশনাল হাউজিং আইটিঃ ১- অগ্নি সিস্টেম ২-ডেফোডিল ৩- আইএসএন মিসিলিনিয়াসঃ ১- ইনডেক্স এগ্রো ২- বিএসসি ৩- সিনো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালঃ ১- এসিআই ফর্মুলা ২- একমি ল্যাব ৩- ফার ক্যামিকেল ৪- ম্যারিকো ৫- বেক্স ফার্মা ৬.সেন্ট্রাল ফার্মা টেক্সটাইল সেক্টর: ১- মতিন স্পিনিং ২- রহিম টেক্সট ৩- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ৪- সোনার গাঁ ৫- তমিজউদদীন টেক্স ৬.প্যারামাউন্ট টেক্স লাইফ: প্রগতি লাইফ ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ মিউচ্যুয়াল ফান্ড : গ্রামীণ টু আইসিবি এমপ্লয়িজ স্কিম -১ আইসিবিএএমসিএল অগ্রনী -১ সিএপিএম আইবিবিএল টেলিকমিউনিকেশন : বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল রবি পেপার ও প্রিন্টিং পেপার প্রসেসিং সার্ভিস ও রিয়েলস্টেট সাইফ পাওয়ারটেক, সাপোর্ট ট্রাভেল ও লিসিউর ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট ট্যানারি সমতা লেদার সিমেন্ট লাফার্জ হোলসিম ক্রাউন সিমেন্ট জুট সোনালী আঁশ

=====

Share & Care
Swapnil Iqbal  · 
ETE- 1:
২০২৫ সালের প্রথম ডায়মন্ড আইটেমঃ
মুন্নু এগ্রো 
বাই রেটঃ ৩৩০-৩৪০ টাকা। 
"বিনিয়োগ যার সিদ্ধান্ত তাঁর।"

====

নভেম্বর মাসের শুরু থেকে এই পর্যন্ত ৯৪ টি কোম্পানি ২০% এর উপরে ক্যাপিটাল গেইন দিয়েছে। কিন্তু আমরা কয়টি থেকে গেইন করতে পেরেছি। বাজারের পতনেও সুযোগ থাকে। এইটা কেবল ঐ ৫% বিনিয়োগকারী ধরতে পারে।
=========
IDLC সিকিউরিটিজ দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের জন্য 5টি স্টক বাছাই করে, ওয়াচলিস্টে 15টি যোগ করে৷ ১৭-০১-২০২৫
IDLC Securities has identified its top picks, which include
01. Marico Bangladesh,
02. Square Pharmaceuticals,
03. IBN Sina Pharma,
04. BRAC Bank, and
05. IT Consultants (ITC) as strong candidates for long-term investment.

Additionally, the firm has highlighted a broader watchlist, comprising
01. Olympic Industries,
02. Kohinoor Chemical,
03. Walton,
04. MJL Bangladesh,
05. Robi,
06. Runner Auto,
07. Beximco Pharma,
08. ACI Formulation,
09. Acme Laboratories,
10. Envoy Textile,
11. Matin Spinning,
12. Square Textile,
13. Popular Life Insurance,
14. Reliance Insurance, and
15. Berger Paints Bangladesh.

==================
আওয়ামী ২৮ কোম্পানির অনিশ্চিত ভবিষ্যত: শংকায় বিনিয়োগকারীরা | Nagorik TV 01. ORIONINFU 02. ORIONPHARM 03. KOHINOOR 04. BEXGSUKUK 05. BEXIMCO 06. BXPHARMA 07. SPCERAMICS 08. BEACONPHAR 09. GEMINISEA 10. SANDHANINS 11. PURABIGEN 12. SAMORITA 13. DOREENPWR 14. ENVOYTEX 15. PREMIERBAN 16. BENGALWTL 17. NATLIFEINS 18. MERCANBANK 19. SHASHADNIM 20. GSPFINANCE 21. FUWANGFOOD 22. SAVAREFR 23. JAMUNABANK 24. SUMITPOWER 25. PENINSULA 26. CVOPRL 27. ARAMIT 28. ARAMITCEM 29. BIFC



Tuesday, January 7, 2025

যে সকল শেয়ার Z category তে স্থান্তর করা হলো।

ডাইরেকটিভ অনুযায়ী যেই কারণে কোন কোম্পানি Z ক্যাটাগরিতে যেতে পারে তা নিম্নরূপঃ

১। পর পর দুই বছর ডিভিডেন্ট প্রদানে ব্যর্থ হওয়া

২। বাৎসরিক সাধারণ সভা এজিএম করতে ব্যর্থ হওয়া (আইনগত কোন অব্লিগেশন এর কারণে হলেও দুই বছরের বেশি এজিএম না করা

৩। যদি কোন কোম্পানি ৬ মাস প্রোডাকশন বা ম্যানুফ্যাকচারিং বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকে

৪। যদি তার সমষ্টিক ক্ষতি তার মূলধনের চেয়ে বেশি হয়

৫। যদি কোন কোম্পানি তার ডিক্লেয়ার করা ডিভিডেন্ড এর ৮০% ডিসট্রিবিউট করতে ব্যর্থ হয়

এই সমস্ত কারনে সে Z ক্যাটাগরিতে চলে যাবে এবং Z ক্যাটাগরিতে ট্রান্সফার হলে তা যদি ব্যাংক ইন্সুরেন্স ননব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনও হয় তাহলে সেই সব গ্রুপের স্পন্সরের তাদের শেয়ার বিক্রি বা ট্রান্সফার কোনটাই করতে পারবেন না

*** লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য আটটি কোম্পানিকে Z বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হবে

ডিএসইর প্রধান বোর্ডের আটটি কোম্পানিকে এ এবং বি ক্যাটাগরি থেকে জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে বোর্ডগুলো যে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে এবং FY22-এর জন্য সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
FE
এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হলো ফরচুন জুতা, তৌফিকা ফুড এবং লাভলো আইসক্রিম, লুব-রেফ (বাংলাদেশ), অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন এবং এসএস স্টিল। আর 'বি' ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হলো অ্যাডভেন্ট ফার্মা, সাফকো স্পিনিং মিলস এবং প্যাসিফিক ডেনিমস।
এই সংস্থাগুলি জরিমানা এবং জরিমানা সহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপের মুখোমুখি হবে।
তারা গত বছরের জুনে শেষ হওয়া বছরের জন্য 1 শতাংশ থেকে 15 শতাংশের মধ্যে লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে।
একটি নিয়ন্ত্রক বিধান অনুসারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ইস্যুকারীরা ঘোষণা বা অনুমোদনের 30 দিনের মধ্যে লভ্যাংশ পরিশোধ করতে বাধ্য। নগদ লভ্যাংশ সিকিউরিটিজ হোল্ডারদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে হবে যখন স্টক ডিভিডেন্ড বিও (বেনিফিসিয়ার মালিকের) অ্যাকাউন্টে।
রোববার নন-কমপ্লায়েন্ট কোম্পানিগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়াটা ‘বাজার কারসাজির’ সমতুল্য।
একটি কোম্পানি যদি একটি নির্দিষ্ট বছরের জন্য শেয়ার প্রতি কমপক্ষে 10 শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ বিতরণ করে থাকে তবে একটি বিভাগ হিসাবে ট্যাগ পায়। কোম্পানিগুলি প্রতি বছরে 10 শতাংশের কম লভ্যাংশ প্রদানের জন্য B ক্যাটাগরিতে আসে।
স্টকগুলি জেড ক্যাটাগরিতে থাকবে যদি তারা পরপর তিন বছর বার্ষিক সাধারণ সভা করতে ব্যর্থ হয় এবং এমনকি এক বছরের জন্যও কোনো লভ্যাংশ না দেয়।
এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এসএমই বোর্ডের আরও পাঁচটি কোম্পানি FY22-এর জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য একই ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সম্মুখীন হয়েছে।
সেগুলো হলো ওরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, বিডি পেইন্টস, মামুন এগ্রো প্রোডাক্টস, কৃষিবিদ বীজ এবং কৃষিবিদ ফিড।
কৃষিবিদ বীজ এবং কৃষিবিদ ফিড কঠোর পদক্ষেপের ঝুঁকিতে রয়েছে কারণ, ডিএসই অনুসারে, এই সংস্থাগুলির স্পনসররা লভ্যাংশ ঘোষণার পরে তাদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে৷
কৃষিবিদ ফিডের একজন স্পনসর লভ্যাংশ ঘোষণার পরের দিন একটি বিক্রয় ঘোষণা করেছিলেন এবং অন্য ছয়জন লভ্যাংশ ঘোষণার চার মাসের মধ্যে এটি করেছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচটি চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যে শেয়ার বিক্রি শেষ করেছে।
লভ্যাংশ ঘোষণার চার মাস পর কৃষিবিদ বীজের একজন পৃষ্ঠপোষক একটি বিক্রয় ঘোষণা পোস্ট করেছে।
"অপরাধের যোগ্যতার ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা এবং জরিমানা সহ যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে," নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএসইসির একজন কর্মকর্তা বলেছেন।
সন্দেহ করা হচ্ছে যে স্পনসররা লভ্যাংশ বিতরণের বিষয়ে কোম্পানির অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত থাকায় শেয়ার বিক্রি করেছে, তিনি যোগ করেন।
এর আগে, সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক 15টি কোম্পানির একটি তালিকা তৈরি করেছিল যারা FY22 এর জন্য লভ্যাংশ বিতরণ করেনি। পরে এর মধ্যে দুটি - বিচ হ্যাচারি এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট - বর্ধিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করে। তাই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিএসইসি কোম্পানিগুলিকে নগদ জমা দিতে বলেছে যে তারা শেয়ারহোল্ডারদের নগদ এবং স্টক লভ্যাংশ বিতরণ করেছে।
এটি অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের ক্রয়-বিক্রয় ঘোষণার অনুলিপিও চেয়েছিল যাতে তারা লভ্যাংশ ঘোষণাকে পুঁজি করার জন্য শেয়ার ব্যবসা করেছে কিনা।
যেহেতু এক্সচেঞ্জের এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো ক্যাটাগরি নেই, সেহেতু অন্যায়ের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জরিমানা ও জরিমানা করা হবে।
*** DELTASPINN ব্যবসা বাড়ানোর জন্য রিজার্ভ থেকে 38 কোটি 71 লাখ টাকা এড করেছে এবং আরো 51 কোটি টাকা রিজার্ভে আছে এছাড়াও DELTASPINN এবার Z Category থেকে A Category তে যাবে এবং নো প্রাইজ লিমিটডে 100 টাকা বাড়বে আরো জানতে লাইক শেয়ার দিয়ে সাথে থাকুন

***আজকে অর্থ উপদেষ্টার জেড ক্যাটাগরি নিয়ে বক্তব্যে সবাই আতঙ্কিত।
#কুল ডাউন থাকুন ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
তিনি কি বলেছেন।জেড ক্যাটাগরি যেগুলির অস্তিত্ব নেই সেগুলির কথা।
উদাহরণ জুট স্পিনার্স যার শেয়ার প্রতি (NAV- )দায় মাইনাস ৫৯৮ টাকা এগুলি উল্লেখ করেছেন।
অর্থ উপদেষ্টার বক্তব্য অনলাইন পোর্টাল গুলি আংশিক প্রচার করে পুরো বক্তব্যের সারাংশ পরিবর্তন করে দিয়েছে ।
বাজারে যে সব জেড কোম্পানির Nav ভাল,উৎপাদন আছে সাময়িক আর্থিক সংকটে থাকাতে জেড ক্যাটাগরিতে আছে সেই সব কোম্পানি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।

***ট্রেডারদের জন্য "এ" ক্যাটাগরি "বি" ক্যাটাগরি "জেড" ক্যাটাগরি বলে কিছু নাই. তাদের কাছে সব ক্যাটাগরি সমান.
ট্রেডারদের জন্য লো ক্যাপ, মিড্ ক্যাপ, হাই ক্যাপ বলে কিছু নাই, তাদের কাছে সব ক্যাপ সমান.
কোম্পানি লসে আছে, নাকি প্রফিটে আছে. উৎপাদনে আছে, নাকি উৎপাদনে নাই. কোম্পানির অস্তিত্ব আছে, নাকি অস্তিত্ব নাই. ট্রেডারদের কাছে সব সমান.
তবে কেবল মাত্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জেড ক্যাটাগরি একটু সমস্যা তৈরী করে. সেটা হচ্ছে "মেচুউরিটি" মানে শেয়ার কেনার পর শেয়ার মেচুউর্ড হতে অনেক সময় নেয় অন্য ক্যাটাগরির শেয়ারের তুলনায়.
ডিএসইতে অনেক বছর ট্রেড করি না তাই ঠিক জানি না, তবে আমি যখন ট্রেড করতাম তখন ১০ দিন লাগতো জেড ক্যাটাগরির শেয়ার মেচুউর্ড হতে. শুধু মাত্র এই কারণে আমি কখনোই জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতাম না.
আপনি যদি ট্রেডার হন তাহলে ক্যাটাগরি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না.
যদি আপনি সত্যিকারের ইনভেস্টর /বিনিয়োগকারী হন তাহলে ক্যাটাগরিগুলো আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ.
আর যদি আপনি নামে ইনভেস্টর /বিনিয়োগকারী কিন্তু করেন ট্রেড সেই ক্ষেত্রে কিছু বলার নাই.

***যে শেয়ার গুলি বোনাস দিয়ে জেড ক্যাটাগরি পরিবর্তন করেছে ২০১৮ সালে।।
১. কে এন্ড কিউ।।
২. সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রি।।
৩. আই,এস,এন।।
৪. স্টেন্ডার সিরামিক।।
৫. হাক্কানি পাল্প।।
৬. বঙ্গজ।।
৭. সানলাইফ ইন্সুরেন্স।।
*** ২০১৮ সালে লভ্যাংশ না দিয়ে যে সমস্ত কম্পানি জেড ক্যাটাগরিতে আসছে ***
১. নর্দান জুট।।
২. ইটি,এল।।
৩. জি,বি,বি পাওয়ার।।

***পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৭ কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে! তার মধ্যে ১২ টি কোম্পানি নিয়মিত ডিভিডেন্ড দিয়ে যাচ্ছে! কোম্পানি আইন অনুজাই পর পর ২ বছর লভ্যাংশ না দিলে বা পর পর ২ বছর এজিএম করতে ব্যর্থ হলে জেড ক্যাটাগরি তে যাওয়ার কথা। তাহলে এইটা কিধরনের রাজনীতি?
1. Fortune Shoes Limited [Z]
2. Lub-rref (bangladesh) Limited [Z]
3. Sk Trims & Industries Limited [Z]
4. Shepherd Industries Limited [Z]
5. Vfs Thread Dyeing Limited [Z]
6. Energypac Power Generation Limited [Z]
7. Pacific Denims Limited [Z]
8. Khulna Power Company Limited [Z]
9. Advent Pharma Limited [Z]
10. Desh Garments Limited [Z]
11. Beach Hatchery Ltd. [Z]
12. Associated Oxygen Limited [Z]

***আসুন আমরা জেড নিয়ে কিছু জানি??
♪ জেড এমন একটি ক্যাটাগরি যা মার্কেটে শাস্তি প্রাপ্ত শেয়ার হিসেবেই দেখা হয় । কিন্তু মজার ব্যাপারটা হলো শেয়ারটা কেনো জেড গ্রুপে যায় ???
♪আমার জানা মতে নো ডেভিডেন্ড দিলে, উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে (একটা নির্দিষ্ট সময়) যথা সময়ে ডেভিডেন্ড বিতরণ না করলে, এমন কিছু কারণ।
কিন্তু মূলত জেড নামক এই শাস্তি ভোগ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানি নয় মোটেও।
♪ আমাদের দেশের মার্কেট ব্যবস্থা জেডের শেয়ারের লেনদেনে ক্যাশ টাকা / পে-অর্ডার/ চেকের ব্যবহার কে নিয়ম করে দিয়েছে । আর একই সাথে জেড কে ৯x2= ১৮ দিনের ফাদে ফেলে দিয়েছে। কেউ চাইলেও জেড এই সময়ের ভিতরে কিছু করতে পারবে না । এটা সত্য অনেক প্রতিষ্ঠানই এই নিয়মকে মানে না, আড়ালে কাজ সারে। কিন্তু একটা সময় ঠিকই আসবে যেদিন টি+৯ নয়, হবে টি+৩/৪/৫, সে দিন খুব বেশি দূরে নয় ।
♥ এখন প্রশ্ন হলো জেড এর ১৮ দিন আমাদের জন্য কি ক্ষতি করে???
♪ আমরা শেয়ার কিনলেও কখনো তা ক্রয় মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি কমে গেলে আমরা কিছুই করতে পারি না ৯ দিনের আগে । তাই কোন কারণে আটকে গেলে আমাদের শুধু ভাগ্যের হাতেই নিজেদের ছেড়ে দিতে হয় । এই একই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক জেডকেই বর্তমান বাজারে প্রভাবিত করে ২থেকে ১০ গুণ এমনকি ২০ গুণ ও করা হয়েছে বা হচ্ছে এবং হবে।
♥ তাহলে এই অপরাধ কি আমাদের জন্য সুফল না কুফল? ?
♪অবশ্যই এটা একটা নির্দিষ্ট মহলের জন্য সুফল এবং আমজনতার জন্য কুফল ।
♥ তবে কি আমরা জেড এ বিনিয়োগ করবো না? ?
♪ উত্তর দেয়াটা মোটে ও সহজ নয়। জেড গ্রুপ শাস্তি পেলে তাতে সাধারন বিনিয়োগকারীরা অভিশপ্ত হয়, আর জেড যখন সেই অভিশাপ থেকে মুক্ত হয় - তখন তা আশীর্বাদ হয়ে যায় । কথা এখানেই লিপিবদ্ধ। অভিশাপটা আমজনতার জন্য, কিন্তু আশীর্বাদটা সেই বিশেষ মহলের জন্য ।
♥ কিন্তু শুধু তারাই কেনো একা এই সুবিধা ভোগ করবেন? আমরা কি অপরাধ করেছি??
♪ এর সমাধান হলো বাজার কে জানুন জেড এর ভিতরে ফান্ডা বসবাস করে সেটা বুঝুন। আস্তে আস্তে জানুন কোম্পানির অন্তর্নিহীত স্বত্ত্বাকে, আরও অনেক তত্ত্ব আছে যা না জানলে হয়তো এই অভিশাপকে আশীর্বাদে পরিণত করতে পারবেন না। তাই জানার কোন শেষ নাই, আর মাইরের কোন বয়স নাই 🙂
♪তাই জেড হলো বিশেষ মহলের পৌষ মাস আর আমজনতার সর্বনাশ। আর সেই সর্বনাশ কে পৌষ মাস করতে এবার ২০১৭ কে জেডের স্বর্ণ যুগ বলা হয়েছে ।
হয়তো কিছু জেড অগ্নেয়গিরির মত বিস্ফোরণ ঘটাবে । আবার কিছু ভদ্র বেশি মানুষ শয়তানে পরিণত হবে । ♪তবে এটা সত্য ২০১৮ হবে জেডের ডায়মন্ড যুগ । আগে এটুকুই দেখুন স্বর্ণযুগটা আমাদের কি দেখায় । অপেক্ষায় থাকুন । আশীর্বাদের বণ্যা শুরু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্। শুধু দেখে যান ।
সময় আপনাদের সব কিছু দেখাবে । এই আগুনে আপনারাও পুড়বেন । কেউ সেই আগুনে কাবাব হবে, আর কেউ সেই আগুন দিয়ে কাবাব বানিয়ে খাবে ♥♥♥



 

যেভাবে শুরু করবেন শেয়ার বাজারে ব্যবসা

 যেভাবে শুরু করবেন শেয়ার বাজারে ব্যবসা

একজন বিনিয়োগকারীর প্রধান করনীয় হচ্ছে বিনিয়োগের পূর্বে বিনিয়োগ সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত হওয়া। যেখানে বিনিয়োগ করবেন সেখানে কীধরনের ঝুকিঁ (Risk factor) আছে বিবেচনায় আনা এবং বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত আসার সম্ভাবনা বা বাস্তবতা অধিক এমন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা। এছাডাও বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট আইন কানুন সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা রাখা এবং এ বাজারে বিনিয়োগকারী হিসাবে তার যে সকল অধিকার আছে সে সম্পর্কে ধারনা রাখা। এবার দেখা যাক শেয়ার ব্যবসা শুরু করার প্রাথমিক কাজগুলো কী কী।
1. Customer Account Opening Form: একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজারে (Secondary Market) বিনিয়োগে আগ্রহী হলে সর্বপ্রথম তাকে একটি ব্রোকারেজ হাউজে যোগাযোগ করতে হবে। তারপর ব্রোকারেজ হাউচ কতৃক সরবরাহকৃত Customer Account Opening Form সঠিকভাবে পূরণ করে উক্ত হাউজে একটি Cusmtomer Account Open করতে হবে এবং উক্ত Account Number সংগ্রহকরে সংরক্ষণ করতে হবে। সাধারণত এটিকে Customer Code বলে অভিহিত করা হয। পরবর্তীতে লেনদেন করতে হলে এই নাম্বারটির প্রয়োজন হবে।
2. Beneficiary Owner (BO) account opening form: একজন বিনিয়োগকারীকে ডিমেটকৃত/অজডকৃত শেযার (Electronic Share) ক্রয়/বিক্রয়ের জন্য Central Depository of Bangladesh Ltd. (CDBL) এর আওতাধীন যেকোন Depository Participant (DP) তে একটি BO Account Opening Form সঠিকভাবে পূরণ করে DP তে BO account open করতে হবে এবং উক্ত Account Number সংরক্ষন করতে হবে। প্রধানত প্রাথমিক শেয়ার (IPO) তে আবেদন করার জন্য এই নাম্বারটি আপনার প্রয়োজন হবে। এট ১৬ডিজিটের একটি নাম্বার।
3. একজন বিনিয়োগকারী (প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগকারী ব্যতীত) একাধিক হিসাব (BO Account) খুলতে পারবেননা। তবে নিজের একক নামে ছাডাও যৌথ নামে (Joint account) আরেকটি হিসাব (মোট ২টি) খুলতে পারবেন।
4. হিসাব খুলার সময় একজন বিনিয়োগকারীকে BO Account Open করার সময় CDBL Laws অনুযায়ী Terms & Conditions (শর্তাবলী) ভালভাবে পড়ে স্বক্ষর করা উচিত।
5. যেকোন DP-তে একজন BO Account Holder-কে শনাক্ত করার জন্য Account Open করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন- নাগরিকত্ব সনদপত্র/পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি, ব্যাংক একাউন্টের সার্টিফিকেটের কপি জমা দিতে হবে।
6. Dierct Account Open: একজন বিনিয়োগকারী CDBL-এ Form-06 পূরন করে (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ) Direct Account Open করতে পারবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে কোন DP-র কাছে যেতে হবেনা।
7. Nominee: A) CDBL By Laws -এর From-23 সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং Nominee এর Percentage (%) B) একজন বিনিয়োগকারী CDBL by Laws Form-23 এর কাগজে Nominee Form-23 ইলেকট্রনিক্স ফরমে রুপান্তরিত হওয়ার পর DP খেকে Nominee Acknowledgement সংগ্রহ করতে পারবে।
8. Power of Attorney: একজন বিনিয়োগকারীকে BO Account Open করার জন্য CDBL By Laws From20-21 সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং ইলেকট্রনিক্স ফরমে রুপান্তরিত হওয়ার পরে ডিপি থেকে বিনিয়োগকারী Power of Attorney Acknowldegement সংগ্রহ করবেন। এখানে উল্লেখ থাকে যে, Power of Attorney Form এ দেয়া কোন তথ্য গোপন করা যাবেনা বা মিথ্যা কোন তথ্য দেযা যাবেনা।
9. Customer Register (As per SEC-Stock broker/dealer & Autohorized representative rules 2000, 13(1): SEC-Stock broker/dealer & Autohorized representative rules 2000, 13(1) অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জের প্রত্যেক সদস্য ফার্মের অনুমোদিত প্রতিনিধি করা যাবেন। সংশ্লিষ্ট ডিপি থেকে কোন BO Account Holder-এর শেয়ার ট্রান্সফার করতে হলে উক্ত BO Account Holder এর অন্য DPতে একটি লিংক্ একাউন্ট খুলতে হবে। অতএব স্টক এক্সচেঞ্জ অথবা SEC-এর অনুমতি সাপেক্ষে ট্রান্সমিশন ফরম পূরন করে BO Account থেকে লিংক Account-এ শেয়ার ট্রান্সফার করা যাবে।
10. DP থেকে BO Account stock status: একজন বিনিয়োগকারী তার কাস্টমার একাউন্টে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের পর ডিমেটকৃত শেয়ারের সর্বশেষ Balance অর্থাৱ BO Account Stock Status Report DP-থেকে গ্রহন করবেন।
11. Non-Resident Bangladeshi (NRB) BO Account: বিদেশে অবস্থানরত কোন বিনিয়োগকারী যদি NRB BO A/C Open করতে চান তাহলে উক্ত বিনিয়োগকারীকে Client Account এবং NRB BO A/C opening Form-এর সাথে পাসপোর্টের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। NRB account পরিচালনার জন্য একজনকে Power of Attorney প্রদান করতে হবে। NRB account holder শেয়ার বিক্রয় করার পর চেক/পে-অর্ডার জমা করার জন্য উক্ত NRB Account Holder এর নামে যেকোন Schedule Bank-এ একটি সাধারন ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। সদস্য ফার্মে শেয়ার বিক্রয়ের বিপরীতে উক্ত সাধারণ ব্যাংক একাউন্টে চেক জমা করতে পারবেন। উক্ত সাধারন ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করার জন্য ব্যাংক আইন অনুযায়ী NRB Account Holder একজনকে Power of attorney প্রদান করতে পারবেন।
12. Non-resident Investors Taka Account (NITA): NITA হিসবের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশীগন ব্যাংকের মাধ্যমে নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরন করে বৈদেশিক মুদ্রায় সিকিউরিটিজ ক্রয় করা যাবে। ১) যেকোন অনুমদিত ডিলার/ব্যাংকের মাধ্যমে একটি NITA হিসাব খুলতে হবে যাতে বৈদেশিক মুদ্র সাধারন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সহজে রূপান্তরযোগ্য হয়। ২) NITA হিসাবের Balance ব্যবহার করে সহজেই বাংলাদেশী শেয়ার বা সিকিউরিটিজ ক্রয় করা যেতে পারে। এখানে বর্হিগমন রেমিটেন্স বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্ট করতে হবে। ৩) NITA হিসাবটি একাউন্ট হোল্ডার নিজে অথাবা তার নোমিনী অথবা অথরাইজড ডিলার দ্বরা পরিচালনা করতে পারেন। ৪) লভ্যাংশ/মুনাফা যা শেয়ার বা সিকিউরিটিজ ক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয় বা NITA হিসাবের মাধ্যমে ক্রয়কৃত শেয়ার বা সিকিউরিটিজের বিক্রয়কৃত অর্থ NITA হিসাবে জমা করা যাবে। উল্লেখ্য যে, NITA হিসাব হতে শুধুই শেয়ার ক্রয় বা বিক্রয় করা সম্ভব এবং প্রযোজনে আপনার জমাকৃত অর্থ শেয়ারবাজারের লাভ সহ দেশের বাইরে তথা আপনি বিদেশে যেথানে অবস্থান করছেন সেখানে পাওয়া সম্ভব।
13. Buy/Sell Order Maintain: বিনিয়োগকারী ব্রোকার হাউজে গ্রহক হওয়ার পর শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের অর্ডার দিতে পারবেন। যদি বিনিয়োগকারী শেয়ার ক্রয় করতে চায় তাহলে বিনিয়োগকারীর কাস্টোমার একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমান টাকা থাকা সপেক্ষে শেয়ার ক্রয়ের অর্ডর স্লিপে ক্রয়ের অর্ডর দিতে পারবেন। শেয়ার ক্রয় বা বিক্রয়ের শেষে অবশ্যই Buy Order/Sell Order এবং CDBL Shareবিক্রয়ের ক্ষেত্রে Pay in Transfer Form পূরণ করতে হবে।
14. Trade Confirmation Statement: বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউজে তার কাস্টমার একান্টে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের অর্ডর এক্সিকিউট হওয়ার পর Trade Confirmation Statement-এ বিনিয়োগকারীর স্বক্ষর করে তার কপি গ্রহন ও সংরক্ষন করবেন।
15. বিনিয়োগকারী উক্ত ব্রোকারেজ হাউজে তার কাস্টমার একাউন্টে শেয়ার ক্রয়ের জন্য টাকা জমা করলে ব্রোকারেজ হাউজ কতৃক প্রদত্ত ছাপানো Money Receipt অবশ্যই গ্রহন করতে হবে। Mone Receipt এ ব্রোকারেজ হাউজের কোন অনুমদিত প্রতিনিধির স্বাক্ষর অবশ্যই থাকতে হবে।
16. Payment Voucher: বিনিয়োগকারী ব্রোকার হাউজে তার কাস্টমার একাউন্ট হতে শেয়ার বিক্রয়ের বিপরীতে টাকা উত্তোলন করতে চাইলে উক্ত কোন অনুমদিত প্রতিনিধির স্বাক্ষরসহ ব্রোকারেজ হাউজ কতৃক প্রদত্ত ছাপানো Payment Voucher অবশ্যই গ্রহন ও সংরক্ষন করতে হবে। বিনিয়োগকারী উক্ত ব্রোকার হাউজে তার কাস্টমার একাউন্টে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের টাকা জমা ও উত্তলনের সমস্ত হিসাব ব্র্রোকারেজ হাউহ হতে সংগ্রহ করতে পারবেন।
17. Telephonic Order: বিনিযোগকারী তার সিকিউরিটিজ ক্রয়/বিক্রয়ের অর্ডার যদি টেলিফোনের মাধ্যমে দেন, তাহলে তাকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্য শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের অর্ডর বিল বুক স্লিপে স্বাক্ষরসহ অর্ডার লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং Trade Confirmation Statement অবশ্যই স্বাক্ষর করে তার কপি গ্রহন করতে হবে।
18. Share Received Bill: বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউজে তার কাস্টমার একাউন্ট থেকে যদি শেয়ার গ্রহন করতে চায় তাহলে Share Received Bill-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের অনুমদিত প্রতিনিধির স্বাক্ষর সহ বিনিয়োগকারীকে উক্ত বিলে স্বাক্ষকর করে শেয়ার গ্রহন করতে হবে। এটি মূলত কাগজী শেয়ারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
19. Stock Report: বিনিয়োগকারী ব্রোকারেজ হাউজে তার কাস্টমার একাউন্টে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের পর তাকে কাস্টমার একাউন্টে শেয়ারের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্রোকার হাউজ থেকে কাস্টমার একাউন্টের Stock Report অবশ্যই গ্রহন করতে হবে।
20. Monthly/Weekly Trade status verification or Client Ledger Verification: বিনিয়োগকারী প্রতি সাপ্তাহে অথবা মাসের শেষে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ থেকে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের টাকা পয়সা জমা ও উত্তোলনের সর্বশেষ হিসাব পরীক্ষার জন্য বিনিয়োগকারী Account Statement গ্রহন করবেন।
easy: শেয়ার ব্যবসা শুরু করতে হলে প্রথমেই আপনাকে একটি BO account খুলতে হবে। ব্রোকার হাউস থেকে BO account খুলতে হয়। শেয়ার যেখানে বসে কেনা বেচা হয় তাকে ব্রোকার হাউস বলে। আপনি আপনার এলাকার বা আপনি যেখান থেকে ব্যবসা করতে চান সেরকম একটি ব্রোকার হাউসে গিয়ে BO account খুলতে পারবেন। আপনি single অথবা joint account খুলতে পারবেন। ব্রোকারকে বললে আপনাকে তারা একটি ফর্ম দিবে। ঐ ফর্মটি পুরণ করে তাদের কাছে দিতে হবে। সাথে দিতে হবে
১। ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
২।আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( যে ব্যাংকে আপনার একাউন্ট আছে ঐ ব্যাংকে গিয়ে চাইলেই আপনাকে তারা স্টেটমেন্টটি দেবে।
৩।একজন নমিনির ছবি।
৪। আপনার ভোটার আইডির ফটোকপি।
বিভিন্ন ব্রোকার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেতে পারে। তাই তাদের কাছ থেকে ঠিকভাবে সবকিছু জেনে নিন। BO account খোলার জন্য ব্রোকাররা ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত চার্য করে থাকে।
Share
মনে করুন আপনি এবং আপনার ৪ জন বন্ধু মিলে একটি ব্যবসা শুরু করলেন। তাহলে আপনাদের ৫জন সবাই এই ব্যবসায়ে অংশীদার। অর্থাৎ আপনাদের প্রত্যেকেই ব্যবসায়ের ৫ ভাগের ১ ভাগের মালিক। প্র্রত্যেক ভাগকে আপনরা বলেন নিজ নিজ শেয়ার বা ভাগ। শেয়ার বাজারের শেয়ারও ঠিক তেমনি ব্যপার। প্রত্যেকটি কোম্পানী ১০, ১০০ বা ১০০০ টাকা মূল্যের শেয়ারে ভাগ করা। আপনি যদি কোন কম্পানীর ১০০টি শেয়ার কেনেন তাহলে আপনি ঐ কম্পানীর একজন মালিক বা শেয়ার হোল্ডার। এখন মনে করুন আপনাদের ৫ বন্ধুর যে ব্যবসা সেখান থেকে ১ জন যদি চলে যেতে চায় তাহলে কী করতে হবে? সেই বন্ধু তার শেয়ার বা ভাগ অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে চলে যাবে। ঠিক তেমনি আপনি যে কম্পানীর শেয়ার কিনেছেন সে কম্পানীর শেয়ার বিক্রি করে দিতে পারেন।
এখন মনে করুন ৫ বন্ধুর ব্যবসায়ে যদি লাভ হয় তাহলে কী করা হবে? আপনাদের যার যার ভাগ অনুযায়ী লাভের টাকা ভাগ করে দেয়া হবে। তেমনি আনি যদি ১০০ টি শেয়ার কিনে থাকেন তাহলে ঐ কম্পানী যখন লভ্যাংশ ঘোষনা করবে তথন ঐ ১০০টি শেযারের লাভের টাকা আপনি পাবেন। আবার মনে করুন ৫ বন্ধুর ব্যবসা যখন পরিচালনার প্রয়োজন হয় তখন ৫জনের মধ্য থেকে আপনারা নিজেদের পছন্দ মত ১জনকে দায়িত্ব দেন। ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যে কম্পানীর শেয়ার কিনলেন সেই কম্পানীর বার্ষিক সাধারন সভায় আপনি ভোট দিয়ে নিজের পছন্দমত পরিচালক নিয়োগ দিতে পারেন। অর্থাৎ সহজ কথায় শেয়ার হচ্ছে কোন কম্পানীর মালিকানার একটি অংশ।
Debenture
ডিবেঞ্চার হচ্ছে একধরনের ঋণপত্র। এর মাধ্যমে কোন কম্পানী পুজিঁবাজার হতে প্রয়োজনের সময় টাকা ধার করতে পারে। এই ঋণপত্রে টাকা ধার দেয়ার শর্তাবলী লিপিবদ্ধ থাকে। আর্থাৎ কত পার্সেন্ট সুদে/লাভে, কত দিনের জন্য এবং কী কী শর্তে কম্পানী কে টাকা ধার দিচ্ছেন তা লেখা থাকে। আপনি যদি ডিবেঞ্চার কিনেন এর অর্থ হচ্ছে আপনি ঐ কম্পানীকে টাকা ধার দিলেন। তবে ডিবেঞ্চারের একটি প্রধার শর্ত হচ্ছে এই টাকা ধার নেয়ার বিপরীতে কম্পানী কোন কিছু জামানত বা বন্ধক রাখবেনা। একারনে কেবল আর্থিকভাবে সচ্ছল এবং সুনামখ্যত কম্পানীগুলোই ডিবেঞ্চার ইস্যু করে টাকা ধার করতে পারে।
Bond
বন্ড বা ঋণপত্র ডিবেঞ্চারের মতই একটি ঋণপত্র। তবে এখানে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে বন্ডের ক্ষেত্রে জামানত রাখার প্রয়োজন হয়।
Treasury Bond:
ট্রেজারী বন্ড বলতে সরকার কতৃক ইস্যুকৃত বন্ডকে বোঝানো হয়। এই বন্ড সঞ্চয় পত্রের সঙ্গে তুলনীয়। কিন্তু যারা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন তারা চাইলেই সেটি ভাঙাতে/বিক্রি করতে পারেন না। কিন্তু ট্রেজারী বন্ড সেকেন্ডারী মার্কেটে লেনদেন হয় বিধায় এটি সহজেই বিক্রয়যোগ্য। (যদিও ট্রেজারী বন্ডের বাজার এখনও ততটা সক্রিয় নয়)।
১ জানুয়ারী ২০০৫ হতে শেয়ারবাজারে ট্রেজারী বন্ডের লেনদেন শুরু হয়। যারা ঝুকিঁর কারনে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে ভয় পান আবার সহজেই বিক্রি করে বা ভাঙাতে পারবেন না বলে সঞ্চয় পত্র/ফিক্সড ডিপোজিট করতে পারেননা তারা ট্রেজারী বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। যেহেতু এটি সরকার কতৃক্ ইস্যুকৃত বন্ড তাই এতে বিনিয়োগ হারানোর ঝুকিঁ নেই বললেই চলে।
Primary Market:
প্রাথমিকভাবে যখন কোন কোম্পানী সাধারন জনগনের কাছ থেকে মূলধন উত্তোলনের জন্য শেয়ার ইস্যু করে তখন এটি প্রাথমিক বাজার/Primary Market. সহজ কথায় বলতে গেলে যখন কোন কোম্পানী Initial Public Offering (IPO) এর মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করে সেটিই Primary Market.
Clearing and Settlement
ব্রোকার হাউজে দৈনিক লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজ নির্দিষ্ট সময়ে গ্রহন ও বিতরন এবং ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হয়। যারা প্রথম দিকে এ ব্যবসার সংগে জড়িত হন তাদের একটা খুব সাধারন প্রশ্ন হচ্ছে কীভাবে আমার নামে শেয়ার আসবে, কীভাবে বিক্রি করার পর টাকা পাবো, এ লেনদেন গুলো কীভাবে হয়? সাধারণত এসব কাজ হয় Clearing and Settlement বিভাগের মাধ্যমে। এখানে আসুন দেখে নেই এই শেয়ার এবং টাকা আদান প্রদানের ব্যপার গুলো কীভাবে ঘটে?
১। আপনি যখন কোন শেয়ার ক্রয় করেন তখন আপনার ব্রোকার শেয়ারের মূল্য বাবদ আপনার Customer Code খেকে টাকা সমন্বয় করেন
২। আপনার ব্রোকার তারপর তাদের প্রাপ্য কমিশন রেখে বাকী টাকা স্টক এক্সচেন্জের হিসাবে স্থানান্তর করেন এবং আপনার শেয়ার স্টক এক্সচেন্জ থেকে বুঝে নিয়ে আপনার Customer ID তে জমা করেন
৩। যিনি আপনার কাছে শেয়ারটি বিক্রি করেছেন তিনিও কোন এক ব্রোকারের মাধ্যমে বিক্রি করেছেন, বিক্রেতার ব্রোকার স্টক এক্সচেন্জে শেয়ার জমা করে তাদের প্রাপ্য টাকা বুঝে নেন
৪। তারপর বিক্রেতার ব্রোকার তাদের প্রাপ্য কমিশন রেখে বাকী টাকা বিক্রেতার হিসাবে জমা করেন । সাধারনত এভাবেই সম্পূর্ন লেনদেন প্রক্রিয়া শেষ হয়। আর এই প্রক্রিয়া শেষ হতে ২/৩ দিন সময়ের প্রয়োজন হয়। যে কারনে একটি শেয়ার ক্রয়ের পর পর সংগে সংগেই আপনি তা বিক্রি করতে পারেননা কিংবা আপনার হিসাবে তত্ক্ষনাত টাকা জমা হয়ে যায় না। বরং ৩/৪ দিন পর আপনার হিসাবে শেয়ার কিংবা টাকা জমা হয়। আর এই প্রক্রিয়া বিভিন্ন গ্রুপের শেয়ারের ক্ষেত্রে বিভিন্নরকম সময় লাগে। আসুন দেখি কোন কোন গ্রপের শেয়ার কয় দিন পর আপনার একাউন্টে জমা হবে।
A,B,G, N গ্রুপের ক্ষেত্রে এ সময় ৩ দিন। অর্থাৎ ৪র্থ দিন আপনি শেয়ার কিংবা টাকা পাবেন। তখন আপনি আপনার ক্রীত শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন বা বিক্রিত শেয়ারের টাকা তুলতে পারবেন।
Z গ্রুপের ক্ষেত্রে এ সময় ৭ দিন। অর্থাৎ ৮ম দিন আপনি শেয়ার কিংবা টাকা পাবেন। তখন আপনি আপনার ক্রীত শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন বা বিক্রিত শেয়ারের টাকা তুলতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগতে পারে z- গ্রুপের শেয়ারের ক্ষেত্রে কেন এত সময়ের প্রয়োজন হয়? কী কী শর্তসাপেক্ষে গ্রুপিং করা হয় তা আমি আগেই বলেছি। দেখে থাকবেন z-গ্রুপ হচ্ছে সবচেয়ে কম কিংবা বিনা লাভ প্রদানকারী কোম্পানীর শেয়ার। এজন্যই এই সব শেয়ার ক্রয়/বিক্রয় নিরুৎসাহিত করার জন্য এই শেযার সেটেলমেন্টর জেন্য সাপ্তাহের মাত্র ১টি দিন বরাদ্দ এবং ৭দিনে এ শেয়ার স্থানান্তর হয়।
Clearing and Settlement-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হল স্পট ট্রেড (Spot trade)। স্পট ট্রেডের ক্ষেত্রে মাত্র ১দিনে A,B,G, N গ্রুপের শেয়ার/টাকা আপনার হিসাবে স্থানান্তর হয় এবং z-গ্রুপের শেয়ার/টাকা ৩দিনে আপনার হিসাবে স্থানান্তর হয়।
তাহলে আসুন দেখি spot trade-কী? অনেকদিন যাবৎ এ ব্যবসা করছেন এমন অনেকেও এ বিষয়টি পরিষ্কার না। যখন কোন কোম্পানী লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য কোন Record date নির্ধারন করে তথন ঐ নির্দিষ্ট দিনে আপনার হিসাবে ঐ কোম্পানীর শেয়ার থাকলে আপনি লভ্যাংশ পাবেন। কিন্তু ধরুন ১৪ জানুয়ারি Record date নির্ধারন করা হল। সেক্ষেত্রে যদি স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরন করা হয় তাহলে আপনি ১৩তারিখ শেয়ার কিনলেও আপনি লভ্যাংশ পাবেননা। কারন শেয়ার আপনার হিসাবে আসবে ১৭ তারিখে। এই অসুবিধা দূর করার জন্য Record date এর ৩দিন আগে থেকে Priority basis-এ ঐসব শেয়ার Settle করা হয়। এজন্য এগুলো স্পট-এ ট্রেড করা হয়। অর্থাৎ তাৎক্ষনিক settlement। এই শেয়ার গুলো দিন শেষেই স্থানান্তর করা হয়।
DSE-তে Clearing and Settlement -এর অধীনে আপনি কোন শেয়ার বিক্রির পর পরই ঐ শেয়ার বিক্রির টাকা যদিও আপনার হিসাব থেকে ৪দিনের আগে তুলতে পারেননা তবে আপনি সে টাকা দিয়ে ঐ দিন-ই অন্য শেয়ার কিনতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি যদি ১০০ বাটা শেয়ার বিক্রি করেন ৩০০টাকা করে অর্থাৎ ৩০০০০টাকার শেয়ার বিক্রি করে তবে আপনি সে দিনই ঐ সমপরিমান টাকার (অর্থাৎ ৩০০০০টাকার অন্য শেয়ার কিনতে পারবেন) । তবে এই সুবিধা কেবল Z-গ্রুপের শেয়ারগুলোর জন্য প্রযোজ্য নয়। যদিও একই কোম্পানীর শেয়ার বিক্রি করে ঐ দিন-ই ঐ টাকা দিয়ে ঐ একই শেয়ার কিনতে পারার বিধান নেই তারপরও অনেকে এটা করে থাকেন। অবশ্য এক্ষেত্রে ব্রোকারের একাউন্ট থেকে স্টক এক্সচেন্জে টাকা সমন্বয় করা হয় কিংবা অনেক সময় এ ব্যপারটা ঠিক গন্য করা হয়না। DSE-তে সাধারনত ট্রেডিং হয় রবি থেকে বৃহস্পতি সকাল ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত।
Circuit Breaker: শেয়ার মূল্যের অস্বাভাবিক ওঠা নামা বা মূল্য কারসাজি প্রতিরোধকল্পে Circuit Breaker (বা মূল্যসীমা) পদ্ধতি চালু আছে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার পূর্বে ঐ দিন কোন শেয়ার কতটুকু ওঠা নামা করতে পারবে তার সর্বোচ্চ এবং সর্বোনিম্নসীমা দেয়া ঘোষনা করে দেয়া হয়। এক্ষেত্রে সাধারনত নিম্নের পদ্ধতি অনুসরন করা হয়।
A,B, G এবং N গ্রুপের শেয়ারের ক্ষেত্রে মূল্যসীমা নিম্নরূপ-
1. শেয়ারের পুর্বদিনের Closing price ২০০ টাকা পর্যন্ত হলে ২০ শতাংশ তবে ৩৫ টাকার উর্দ্ধে নয়। অর্থাৎ কোন শেয়ারের পূর্বদিনের Closing price যদি ১৮০টাকা হয় তবে ঐদিন শেয়ারটির সর্বোচ্চ মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারবে ২০ শতাংশ বা ৩৬টাকা। কিন্তু ৩৫টাকার বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার অনুমতি না থাকায় এই শেযার মূল্য ৩৫টাক পর্যন্তই কেবল বাড়তে পারবে । অর্থাৎ ঐদিন শেয়ারটির সর্বোচ্চ মূল্য হতে পারবে ২১৫টাকা এবং সর্বোনিম্ন মূল্য হতে পারবে ১৪৫টাকা।
2. তেমনিভাবে ২০১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১৭.৫% কিন্তু ৭৫টাকার বেশি নয়
3. ৫০১ হতে ১০০০টাকা পর্যন্ত ১৫% বা ১২৫ টাকার বেশি নয়
4. ১০০০১ হতে ২০০০ পর্যন্ত ১২.৫% বা তবে ২০০টাকার বেশি নয়
5. ২০০১ হতে ৫০০০০টাকা পর্যন্ত ১০% তবে ৩৭৫টাকার বেশি নয়
6. ৫০০১ এর উপরে ৭.৫% তবে ৬০০ টাকার বেশি নয়
উল্লেখ্য য়ে, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানীর ক্ষেত্রে প্রথম ৫দিন মূল্যসীমার নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। এছাড়াও z-গ্রুপের শেয়ার এ নিয়মের আওতাভুক্ত নয়।
Surveillance Department:
DSE-তে লেনদেনের স্বাভাবিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে Surveillance Department নামে একটি নিজস্ব বিভাগ রযেছে। Online Surveillance System এর মাধ্যমে DSE-র Surveillance Department লেনদেন চলাকালীন সময় বিভিন্ন সিকিউরিটিজের মূল্য ও লেনদেনের পরিমান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করে। কোন শেয়ারের লেনদেনের অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করাগেলে সেক্ষেত্রে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। Surveillance Department-এর তৎপরতার ফলে বর্তমানে DSE-তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের লেনদেনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বহুলাংশে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
ডিএসই ২০ (DSE 20 Index)
তালিকাভুক্ত কোম্পানীসমূহের মধ্য হতে পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এবং আরো কিছু বৈশিষ্ঠের ভিত্তিতে সেরা ২০টি কোম্পানী নিয়ে ডিএসই ২০ (DSE 20 Index) গঠিত। এর ফলে বিনিয়োগকারীগন সেরা কোম্পানীগুলোর মূল্যের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারনা পেতে পারে। যে শর্তপূরণ সাপেক্ষে ডিএসই ২০ সূচক গঠিত হয় সেগুলো হল-
1. যে সকল কোম্পানীর বাজার মূলধনের পরিমান ২০কোটি টাকা বা তার উর্দ্ধে
2. নূন্যতম ২০শতাংশ শেয়ার জনসাধারনের হাতে রয়েছে (কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই তা নেই)
3. ক্রমাগত বিগত ৩ বছর যাবত অন্তত ১০শতাংশ হারে লভ্যাংশ প্রদান করে আসছে
4. ৬ মাসে অন্তত ৯৫% লেনদেন দিবসে শেয়ার বেচাকেনা হয়েছে (অনেক ক্ষেত্রেই শেয়ার বেচাকেনা হলেও পরিমান খুবই নগন্য)
5. নিয়মিত বার্ষিক সাধারনসভাসহ কোম্পানীর পরিচালনা ব্যবস্থা নূন্যতম মান বজায় রাখছে
এই শর্তাবলী পূরণ করছে এমন কোম্পানীর পরিমান অনেক হয়ে যাওয়ায় এবং শেয়ার বাজারকে আরও ভালভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারার প্রয়োজনে এই সূচককে ডিএসই ২৫-এ উণ্ণীত করা হবে। তার মানে এরপর থেকে এতে ২৫টি কোম্পানী অন্র্তভুক্ত করা হবে।
শেয়ার শ্রেনীবিভাগ/বিভাগীকরন (Stock Classification/Categorization):
DSE-তে তালিকাভুক্ত কোম্পানীগুলোর পারফরমেন্সের ভিত্তিতে A, B, G, N এবং Z এই বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সাধারনভাবে ভাল মন্দ শেয়ার চিনিয়েদেবার জন্য এই বিভাগীকরন করা হয়েছে।
A-Category: নিয়মিত্ বার্ষিক সাধারন সভা করা সহ ১০% বা তার উর্দ্ধে লভ্যাংশ (Dividend) প্রদানকারী কোম্পানীসমূহ এ গ্রুপের অর্ন্তভুক্ত।
B-Category: নিয়মিত্ বার্ষিক সাধারন সভা করা সহ ১০% -এর নীচে লভ্যাংশ (Dividend) প্রদানকারী কোম্পানীসমূহ এ গ্রুপের অর্ন্তভুক্ত।
G-Category: গ্রীন ফিল্ড অর্থাৱ শেয়ার বাজারে আসার পূর্বে উত্পাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে শুরু করেনি এমন কোম্পানীসমূহ এই গ্রুপের অর্ন্তভুক্ত। DSE-র ইতিহাসে এপর্য়ন্ত কেবন লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট-ই এই গ্রুপের অধীনে লিপিবদ্ধ হওয়া একমাত্র কোম্পানী। কিন্তু গত বছর থেকে সম্পূর্ণ উত্পাদন কার্যক্রম শুরু করার পরও কোন লভ্যাংশ দিতে না পারায় Z-গ্রুপে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে।
N-Category: এই গ্রুপে অর্ন্তভুক্ত হবার ক্ষেত্রে ভাল/মন্দ ব্যবসায়িক দক্ষতার কোন প্রভাব নেই। সাধারনত কোন শেয়ার DSE-তে লিপিবদ্ধ হওয়ার পর কোন আর্থিক বছর শেষ হওয়ার পূর্বে পর্যন্ত এই গ্রুপে রাখা হয়। আর্থিক বছর শেষ হলে পূর্বোক্ত ব্যবসায়িক দক্ষতার উপর ভিত্তি করে A, B অথবা Z গ্রুপে স্থানান্তর করা হয়।
Z-Category: নিয়মিত বার্ষিক সাধারন সভা করতে ব্যর্থ/লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ কিংবা সর্বশেষ ৬ মাস উত্পাদন বন্ধ থাকলে এই গ্রুপে স্থানান্তর করা হয়।
DSE Index
DSE Index বা সূচক হচ্ছে একটি সাধারণ পরিমাপ। যার মাধ্যমে আমরা শেয়ার বাজারের সার্বিক অবস্থা বুঝতে পারি। বাজারের গতি প্রকৃতি সঠিকভাবে বোঝার জন্য বর্তমানে DSE-তে সার্বিক মূল্যসূচক (DSE All share Price Index), ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক (DSE General Index) এবং ডিএসই ২০ (DSE 20) এ তিন ধরনের সূচক প্রচলিত আছে। তবে বিভিন্ন সেক্টর ভিত্তিক যেমন ব্যাংকিং, টেক্সটাইল, বিদ্যুত ও জ্বালানি, সিমেন্ট, বিনিয়োগ প্রভৃতির ধারনা পাওয়ার জন্য সূচক চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে CSE-তে এই সূচকগুলো এখনি চালু আছে। কিন্তু CSE-তে অনেক শেয়ার খুবই কম বা লেনদেন না হওয়ার কারনে সেক্টর ভিত্তিক সূচকগুলো বাজারের গতি প্রকৃতির যথাযথ ধারনা দিতে ব্যর্থ হয়। আসুন এবার দেখে নেই কোন সূচক কীসের ভিত্তিতে তৈরি।
ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক (DSE General Index)
মিচুয়াল ফান্ড এবং এ এবং বি ক্যাটাগরির সিকিউরিটিজের সমন্বয়ে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক গঠিত।
সার্বিক মূল্যসূচক (DSE All share Price Index)
মিচুয়াল ফান্ড, ডিবেঞ্চার, বন্ড এবং সকল তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের (শেয়ার) সমন্বয়ে ডিএসই সার্বিক মূল্যসূচক গঠিত।
Judges Panel
বিনিয়োগকারীদের স্বর্থ রক্ষার্থে ব্রোকার/ডিলারের বিরুদ্ধে কোন বিণিয়োগকারীর অভিযোগের নিষ্পত্তিকল্পে ৫ জন অবসর প্রাপ্ত ডিস্ট্রিক্ট জাজের সমন্বয়ে জাজেস প্যানেল গঠন করা হয়েছে। যারা সরাসরি বিণিয়োগকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তিকল্পে কাজ করেন।
nvestor’s Protection Fund
বিনিয়োগকারীদের স্বর্থে DSE Investors Protection Fund গঠন করা হয়েছে। যদি কোন ব্রোকার বা ডিলার ফার্ম বন্ধ হয়ে যায়/লিকুইডেশনে চলে যায়/দেউলিয়া ঘোষিত হয় তখন ঐ ফান্ড হতে একটি নির্ধারিত পরিমান অর্থ সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
Listed Securities
লিস্টেড সিকিউরিটিজ বলতে ঐসব শেয়ার/বন্ড বা ডিবেন্চার কে বোঝায় যেগুলো DSE/CSE-তে লেনদেনের জন্য লিপিবদ্ধ। (CSE= Chittagong Stock Exchange) যেমন – রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস-এ কয়েক হাজার কোম্পানীর নাম লিপিবদ্ধ আছে। কিন্তু সেগুলো DSE/CSE-তে লিপিবদ্ধ না থাকার কারনে সেগুলোর শেয়ারের লেনাদেন হয়না। যেমন- অটবি লিমিটেড (Furniture Company) । কিন্তু বাটা সু কোম্পানীর শেয়ার লেনাদেন হয। কারন সেটি রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস-এ লিপিবদ্ধ এবং DSE/CSE-তেও লিপিবদ্ধ।
Share Holder
কোন কোম্পানীর শেয়ারের মালিকদের বলা হয় শেয়ার হোল্ডার। যেমন: আপনি যাদি বাটা সু কোম্পানীর ১০০টি শেয়ার ক্রয় করেন তবে আপনি বাটা সু কোম্পানীর একজন শেয়ার হোল্ডার বা আংশিক মালিক।
Member of Stock Exchange
DSE-তে সর্বমোট ২৪০+ সদস্য আছেন। এদের মধ্যে ১৮০+ জন DSE-তে সিকিউরিটিজ লেনদেন করার জন্য SEC থেকে Stock broker/Dealer হিসাবে অনুমোদন প্রপ্ত।
Registar of Joint Stock Companies
কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি প্রথম আইনগত স্বীকৃতি হলো নিবন্ধন সনদপত্র। এই নিবন্ধন সনদপত্র প্রদানের জন্য গঠিত হয়েছে রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস। যারা প্রথমে কোম্পানীটি গঠন করেন মানে উদ্যোক্তাদের এই নিবন্ধনের কাজটি করতে হয়। নিবন্ধন সনদপত্র পাওয়ার পরই কোন কোম্পানী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। নিবন্ধন সনদ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করার সময় প্রস্তাবিত কোম্পানীর মেমরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস আব এসোসিয়েশন জমা দিতে হয়। এই মেমরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস আব এসোসিয়েশন তৈরির জন্য পেশাদার ইস্যু ব্যবস্থাপক (Issue Manager/Investment Banker) অথাবা আইনজীবির সহায়তা নেয়া যায়্।
Central Depository Syestem (CDS)
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি সিস্টেম (CDS) এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে সিকিউরিটিজ সমূহ ইলেক্ট্রনিক ফর্মে সংরক্ষন ও লেনদেন করা যায়। CDBL কে ব্যাংকের সাথে তুলনা করা যায়। ব্যাংক যেভাবে জমাকারীর টাকার হিসাব রাখে CDBL সেভাবে বিনিয়োগকারীদের সিকিউরিটিজ ইলেক্ট্রনিক ফর্মে সংরক্ষন করে। CDS এর সুবিধা গুলো হচ্ছে-
1. অনুপযুক্ত কাগুজে সার্টিফিকেট হস্তান্তর রোধ
2. তাৎক্ষনিক শেয়ার হস্তান্তর (যদিও আমাদের দেশে ট্রেডিং সিস্টেম এথনও সেই পর্যায়ে উণ্নীত হয়নি)
3. কাগজের বাড়তি ঝামেলা এডানো
4. কাগজের সার্টিফেকেটর বাডতি ঝামেলা এডানো যেমন হারিয়ে যাওয়া, চুরি হওয়া, ক্ষতিসাধন বা জালিয়াতি
CDS সম্পর্কে আরো জানতে দেখুন http://www.cdbl.com.bd
সিকিউরিটিজ্ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)
১৯৮৩ সালের ৮ জুন The Securities and Exchange Comission Act 1993-এর অধীনে এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি। SEC-র প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইন প্রনয়ন ও তা বাস্তবায়ন। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে এপ্রতিষ্ঠান কাজ করে থাকে। (http://www.secbd.org)
স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সিস্টেম
১৯৯৮ সালের ১০ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) Local Area Network (LAN) এবং Wide Area Network (WAN) এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় লেনদেন শুরু করে। ২১ আগস্ট ২০০৫ সালে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আরো আধুনিকায়ন করে এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ৫০,০০০ ট্রেড থেকে ১লক্ষ ট্রেড এবং ১৫০০ কম্পিউটার (work station) থেকে ৩০০০ কম্পিউটারে উন্নিত করা হয়। সম্প্রতি এই ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করে দ্বিগুন করা হয়েছে। (৩লক্ষ ট্রেড)
DSE অন্যতম সেরা কম্পিউটার প্রস্তুকারী হিউলেট প্যাকার্ড (HP) থেকে Main Frame Server (HP Non Stop S7802) ক্রয় করেছে। যা পৃথিবীর বড় বড় স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE, BSE, NASDAQ) এ ব্যবহৃত হচ্ছে। Main Frame Server টি সার্বক্ষনিক চালু খেকে ট্রেডিঙের সময় নিরবিচ্ছিন্ন ট্রেডের সুবিধা প্রদান করে। DSE তার সদস্যদের ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভারতের বিখ্যাত সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান Scandat Solution Ltd থেকে aplication software (TESA) ক্রয় করেছে।
DSE তার Automated Clearing and Settlement ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ Web Based Application এ উন্নত করেছে। যার ফলে Settlement কার্যক্রম আরও ত্বরান্নিত হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আরো অধিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে DSE-র Website (http://www.dsebd.org) কে আরো তথ্যবহুল করা হয়েছে। Website টি ট্রেড চলাকালীন সময়ে প্রতি মুহুর্তে Real Time ট্রেডিং তথ্য সহ অন্যান্য তথ্যাদি আপ-ডেট করে থাকে যা DSE-র Automated trading systme-র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
DSE তার নিজস্ব ভবন ও নিকটবর্তী ২টি ভবনে LAN Connectivity প্রতিস্থাপন করে প্রায় ১৫০টিরও বেশি ব্রোকার সার্ভারের আওতায় প্রায় আটশতাধিক কম্পিউটারের মাধ্যমে ট্রেডিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাছাডাও Radio Link/Fiber Optics/VSAT/ADSL Connectivity-এর মাধ্যমে প্রায সকল উল্লেখযোগ্য শহরে ট্রেডিং সুবিধা দিচ্ছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের প্রধান পুজিঁবাজার। এখানে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটিজ (শেয়ার ডিবেঞ্চার, মিচুয়াল ফান্ড এবং বন্ড) লেনদেন হয়। বর্তমানে এ বাজারে সাড়ে তিনশরও বেশি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। যার মূল্যমান ১০০০বিলিয়নেরও বেশি এবং দেশের জিডিপির প্রায় ১০শতাংশ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লি: রূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৫৬ সালে এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হয়। ১৯৬২ সালের ২৩ জুন এর নাম পরিবর্তন করে হয় ইস্ট পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ লি:। ১৯৬৪ সালের ১৩ মে পুণরায় এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
স্বাধীনতা যু্দ্ধের সময় এর লেনদেন স্থগিত থাকে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সাথে সাথে ১৯৭৬ সালের ১০ আগস্ট পুনরায় এর লেনদেন শুরু হয়। ১৯৯৮ সালের ১০ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) Local Area Network (LAN) এবং Wide Area Network (WAN) এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় লেনদেন শুরু করে। ২০০৪ সালের ২৪ জানুয়ারী Central Depository System (CDS) চালু হয়। গত ৫০ বছর ধরে এটি ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের বিনিযোগের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ২০০৫ সালের ১ জানুযারি DSE তে সরকারি বন্ডের লেনদেন শুরু হয়। ২০০৫ সালের ২১ আগস্ট অটোমেটেড আপগ্রেডেড ট্রেডিং সিস্টেমের মাধ্যমে DSE চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, কুমিল্ল, নারায়নগঞ্জ এবং উত্তরায় ব্রোকার ট্রেডিং শুরু করে। এরপর থেকে দেশের আরো অনেক শহরে এর লেনদেনের বিস্তৃতি লাভ করেছে। খুব শীঘ্রই আরো অনেক নতুন এলাকা DSE-র লেনদেনের আওতায় আসবে।
ঢাকার নিকুঞ্জে DSE-র নিজস্ব ৪ বিঘা জমির উপর বহুতল বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক ভবন নির্মানের কাজ চলছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৭ প্রধান উপদেষ্টা এর ফলক উন্মোচন করেন।
Ref: ictgeneration, sharebiz blogspot, shareedu blogspot, dse, sec,
যেভাবে সফল হবেন শেয়ার বাজারে
বিনিয়োগের জন্যে শেয়ার বাজারকে একটি ঝুকিপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অনেকে শেয়ার বাজার নামটি শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে যান। মনে করেন শেয়ার বাজার হলো সর্বস্ব লুটে নেয়ার ফাঁদ। কিন্তু বাস্তবে তাদের এই ধারণাটি সত্যি নয়। শেয়ার বাজার মূলত একটি লাভজনক বিনিয়োগ খাত, যদি আপনি সঠিক নিয়মে বিনিয়োগ করতে জানেন। কিছু নিয়ম রয়েছে যা অনুসরণ করলে এই খাতে আপনার সফলতা অর্জন করা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।

আপট্রেন্ডে প্রাইস বাড়তে থাকলে ভলিউম বাড়ে। ডাউনট্রেন্ডে প্রাইস কমতে থাকলে ভলিউম বাড়ে। এই ভলিউম যখন ড্রাই হবে, তখন অনুমান করা হয় যে পতন থেমেছে। তার মানে এই নয় যে তখন থেকেই ঘুরবে। বাজার ঘুরে যাওয়ার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়

আপনার উক্তিটিতে বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে। এখন একে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা যাক— ১. আপট্রে...