Tuesday, January 7, 2025

যে সকল শেয়ার Z category তে স্থান্তর করা হলো।

ডাইরেকটিভ অনুযায়ী যেই কারণে কোন কোম্পানি Z ক্যাটাগরিতে যেতে পারে তা নিম্নরূপঃ

১। পর পর দুই বছর ডিভিডেন্ট প্রদানে ব্যর্থ হওয়া

২। বাৎসরিক সাধারণ সভা এজিএম করতে ব্যর্থ হওয়া (আইনগত কোন অব্লিগেশন এর কারণে হলেও দুই বছরের বেশি এজিএম না করা

৩। যদি কোন কোম্পানি ৬ মাস প্রোডাকশন বা ম্যানুফ্যাকচারিং বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকে

৪। যদি তার সমষ্টিক ক্ষতি তার মূলধনের চেয়ে বেশি হয়

৫। যদি কোন কোম্পানি তার ডিক্লেয়ার করা ডিভিডেন্ড এর ৮০% ডিসট্রিবিউট করতে ব্যর্থ হয়

এই সমস্ত কারনে সে Z ক্যাটাগরিতে চলে যাবে এবং Z ক্যাটাগরিতে ট্রান্সফার হলে তা যদি ব্যাংক ইন্সুরেন্স ননব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনও হয় তাহলে সেই সব গ্রুপের স্পন্সরের তাদের শেয়ার বিক্রি বা ট্রান্সফার কোনটাই করতে পারবেন না

*** লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য আটটি কোম্পানিকে Z বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হবে

ডিএসইর প্রধান বোর্ডের আটটি কোম্পানিকে এ এবং বি ক্যাটাগরি থেকে জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে বোর্ডগুলো যে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে এবং FY22-এর জন্য সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
FE
এ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হলো ফরচুন জুতা, তৌফিকা ফুড এবং লাভলো আইসক্রিম, লুব-রেফ (বাংলাদেশ), অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন এবং এসএস স্টিল। আর 'বি' ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো হলো অ্যাডভেন্ট ফার্মা, সাফকো স্পিনিং মিলস এবং প্যাসিফিক ডেনিমস।
এই সংস্থাগুলি জরিমানা এবং জরিমানা সহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপের মুখোমুখি হবে।
তারা গত বছরের জুনে শেষ হওয়া বছরের জন্য 1 শতাংশ থেকে 15 শতাংশের মধ্যে লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে।
একটি নিয়ন্ত্রক বিধান অনুসারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ ইস্যুকারীরা ঘোষণা বা অনুমোদনের 30 দিনের মধ্যে লভ্যাংশ পরিশোধ করতে বাধ্য। নগদ লভ্যাংশ সিকিউরিটিজ হোল্ডারদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে হবে যখন স্টক ডিভিডেন্ড বিও (বেনিফিসিয়ার মালিকের) অ্যাকাউন্টে।
রোববার নন-কমপ্লায়েন্ট কোম্পানিগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়াটা ‘বাজার কারসাজির’ সমতুল্য।
একটি কোম্পানি যদি একটি নির্দিষ্ট বছরের জন্য শেয়ার প্রতি কমপক্ষে 10 শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ বিতরণ করে থাকে তবে একটি বিভাগ হিসাবে ট্যাগ পায়। কোম্পানিগুলি প্রতি বছরে 10 শতাংশের কম লভ্যাংশ প্রদানের জন্য B ক্যাটাগরিতে আসে।
স্টকগুলি জেড ক্যাটাগরিতে থাকবে যদি তারা পরপর তিন বছর বার্ষিক সাধারণ সভা করতে ব্যর্থ হয় এবং এমনকি এক বছরের জন্যও কোনো লভ্যাংশ না দেয়।
এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এসএমই বোর্ডের আরও পাঁচটি কোম্পানি FY22-এর জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য একই ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সম্মুখীন হয়েছে।
সেগুলো হলো ওরিজা এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, বিডি পেইন্টস, মামুন এগ্রো প্রোডাক্টস, কৃষিবিদ বীজ এবং কৃষিবিদ ফিড।
কৃষিবিদ বীজ এবং কৃষিবিদ ফিড কঠোর পদক্ষেপের ঝুঁকিতে রয়েছে কারণ, ডিএসই অনুসারে, এই সংস্থাগুলির স্পনসররা লভ্যাংশ ঘোষণার পরে তাদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে৷
কৃষিবিদ ফিডের একজন স্পনসর লভ্যাংশ ঘোষণার পরের দিন একটি বিক্রয় ঘোষণা করেছিলেন এবং অন্য ছয়জন লভ্যাংশ ঘোষণার চার মাসের মধ্যে এটি করেছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচটি চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যে শেয়ার বিক্রি শেষ করেছে।
লভ্যাংশ ঘোষণার চার মাস পর কৃষিবিদ বীজের একজন পৃষ্ঠপোষক একটি বিক্রয় ঘোষণা পোস্ট করেছে।
"অপরাধের যোগ্যতার ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা এবং জরিমানা সহ যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে," নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএসইসির একজন কর্মকর্তা বলেছেন।
সন্দেহ করা হচ্ছে যে স্পনসররা লভ্যাংশ বিতরণের বিষয়ে কোম্পানির অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত থাকায় শেয়ার বিক্রি করেছে, তিনি যোগ করেন।
এর আগে, সিকিউরিটিজ নিয়ন্ত্রক 15টি কোম্পানির একটি তালিকা তৈরি করেছিল যারা FY22 এর জন্য লভ্যাংশ বিতরণ করেনি। পরে এর মধ্যে দুটি - বিচ হ্যাচারি এবং প্রিমিয়ার সিমেন্ট - বর্ধিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করে। তাই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিএসইসি কোম্পানিগুলিকে নগদ জমা দিতে বলেছে যে তারা শেয়ারহোল্ডারদের নগদ এবং স্টক লভ্যাংশ বিতরণ করেছে।
এটি অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের ক্রয়-বিক্রয় ঘোষণার অনুলিপিও চেয়েছিল যাতে তারা লভ্যাংশ ঘোষণাকে পুঁজি করার জন্য শেয়ার ব্যবসা করেছে কিনা।
যেহেতু এক্সচেঞ্জের এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো ক্যাটাগরি নেই, সেহেতু অন্যায়ের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জরিমানা ও জরিমানা করা হবে।
*** DELTASPINN ব্যবসা বাড়ানোর জন্য রিজার্ভ থেকে 38 কোটি 71 লাখ টাকা এড করেছে এবং আরো 51 কোটি টাকা রিজার্ভে আছে এছাড়াও DELTASPINN এবার Z Category থেকে A Category তে যাবে এবং নো প্রাইজ লিমিটডে 100 টাকা বাড়বে আরো জানতে লাইক শেয়ার দিয়ে সাথে থাকুন

***আজকে অর্থ উপদেষ্টার জেড ক্যাটাগরি নিয়ে বক্তব্যে সবাই আতঙ্কিত।
#কুল ডাউন থাকুন ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
তিনি কি বলেছেন।জেড ক্যাটাগরি যেগুলির অস্তিত্ব নেই সেগুলির কথা।
উদাহরণ জুট স্পিনার্স যার শেয়ার প্রতি (NAV- )দায় মাইনাস ৫৯৮ টাকা এগুলি উল্লেখ করেছেন।
অর্থ উপদেষ্টার বক্তব্য অনলাইন পোর্টাল গুলি আংশিক প্রচার করে পুরো বক্তব্যের সারাংশ পরিবর্তন করে দিয়েছে ।
বাজারে যে সব জেড কোম্পানির Nav ভাল,উৎপাদন আছে সাময়িক আর্থিক সংকটে থাকাতে জেড ক্যাটাগরিতে আছে সেই সব কোম্পানি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।

***ট্রেডারদের জন্য "এ" ক্যাটাগরি "বি" ক্যাটাগরি "জেড" ক্যাটাগরি বলে কিছু নাই. তাদের কাছে সব ক্যাটাগরি সমান.
ট্রেডারদের জন্য লো ক্যাপ, মিড্ ক্যাপ, হাই ক্যাপ বলে কিছু নাই, তাদের কাছে সব ক্যাপ সমান.
কোম্পানি লসে আছে, নাকি প্রফিটে আছে. উৎপাদনে আছে, নাকি উৎপাদনে নাই. কোম্পানির অস্তিত্ব আছে, নাকি অস্তিত্ব নাই. ট্রেডারদের কাছে সব সমান.
তবে কেবল মাত্র বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জেড ক্যাটাগরি একটু সমস্যা তৈরী করে. সেটা হচ্ছে "মেচুউরিটি" মানে শেয়ার কেনার পর শেয়ার মেচুউর্ড হতে অনেক সময় নেয় অন্য ক্যাটাগরির শেয়ারের তুলনায়.
ডিএসইতে অনেক বছর ট্রেড করি না তাই ঠিক জানি না, তবে আমি যখন ট্রেড করতাম তখন ১০ দিন লাগতো জেড ক্যাটাগরির শেয়ার মেচুউর্ড হতে. শুধু মাত্র এই কারণে আমি কখনোই জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতাম না.
আপনি যদি ট্রেডার হন তাহলে ক্যাটাগরি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না.
যদি আপনি সত্যিকারের ইনভেস্টর /বিনিয়োগকারী হন তাহলে ক্যাটাগরিগুলো আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ.
আর যদি আপনি নামে ইনভেস্টর /বিনিয়োগকারী কিন্তু করেন ট্রেড সেই ক্ষেত্রে কিছু বলার নাই.

***যে শেয়ার গুলি বোনাস দিয়ে জেড ক্যাটাগরি পরিবর্তন করেছে ২০১৮ সালে।।
১. কে এন্ড কিউ।।
২. সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রি।।
৩. আই,এস,এন।।
৪. স্টেন্ডার সিরামিক।।
৫. হাক্কানি পাল্প।।
৬. বঙ্গজ।।
৭. সানলাইফ ইন্সুরেন্স।।
*** ২০১৮ সালে লভ্যাংশ না দিয়ে যে সমস্ত কম্পানি জেড ক্যাটাগরিতে আসছে ***
১. নর্দান জুট।।
২. ইটি,এল।।
৩. জি,বি,বি পাওয়ার।।

***পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৭ কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে! তার মধ্যে ১২ টি কোম্পানি নিয়মিত ডিভিডেন্ড দিয়ে যাচ্ছে! কোম্পানি আইন অনুজাই পর পর ২ বছর লভ্যাংশ না দিলে বা পর পর ২ বছর এজিএম করতে ব্যর্থ হলে জেড ক্যাটাগরি তে যাওয়ার কথা। তাহলে এইটা কিধরনের রাজনীতি?
1. Fortune Shoes Limited [Z]
2. Lub-rref (bangladesh) Limited [Z]
3. Sk Trims & Industries Limited [Z]
4. Shepherd Industries Limited [Z]
5. Vfs Thread Dyeing Limited [Z]
6. Energypac Power Generation Limited [Z]
7. Pacific Denims Limited [Z]
8. Khulna Power Company Limited [Z]
9. Advent Pharma Limited [Z]
10. Desh Garments Limited [Z]
11. Beach Hatchery Ltd. [Z]
12. Associated Oxygen Limited [Z]

***আসুন আমরা জেড নিয়ে কিছু জানি??
♪ জেড এমন একটি ক্যাটাগরি যা মার্কেটে শাস্তি প্রাপ্ত শেয়ার হিসেবেই দেখা হয় । কিন্তু মজার ব্যাপারটা হলো শেয়ারটা কেনো জেড গ্রুপে যায় ???
♪আমার জানা মতে নো ডেভিডেন্ড দিলে, উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে (একটা নির্দিষ্ট সময়) যথা সময়ে ডেভিডেন্ড বিতরণ না করলে, এমন কিছু কারণ।
কিন্তু মূলত জেড নামক এই শাস্তি ভোগ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানি নয় মোটেও।
♪ আমাদের দেশের মার্কেট ব্যবস্থা জেডের শেয়ারের লেনদেনে ক্যাশ টাকা / পে-অর্ডার/ চেকের ব্যবহার কে নিয়ম করে দিয়েছে । আর একই সাথে জেড কে ৯x2= ১৮ দিনের ফাদে ফেলে দিয়েছে। কেউ চাইলেও জেড এই সময়ের ভিতরে কিছু করতে পারবে না । এটা সত্য অনেক প্রতিষ্ঠানই এই নিয়মকে মানে না, আড়ালে কাজ সারে। কিন্তু একটা সময় ঠিকই আসবে যেদিন টি+৯ নয়, হবে টি+৩/৪/৫, সে দিন খুব বেশি দূরে নয় ।
♥ এখন প্রশ্ন হলো জেড এর ১৮ দিন আমাদের জন্য কি ক্ষতি করে???
♪ আমরা শেয়ার কিনলেও কখনো তা ক্রয় মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি কমে গেলে আমরা কিছুই করতে পারি না ৯ দিনের আগে । তাই কোন কারণে আটকে গেলে আমাদের শুধু ভাগ্যের হাতেই নিজেদের ছেড়ে দিতে হয় । এই একই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক জেডকেই বর্তমান বাজারে প্রভাবিত করে ২থেকে ১০ গুণ এমনকি ২০ গুণ ও করা হয়েছে বা হচ্ছে এবং হবে।
♥ তাহলে এই অপরাধ কি আমাদের জন্য সুফল না কুফল? ?
♪অবশ্যই এটা একটা নির্দিষ্ট মহলের জন্য সুফল এবং আমজনতার জন্য কুফল ।
♥ তবে কি আমরা জেড এ বিনিয়োগ করবো না? ?
♪ উত্তর দেয়াটা মোটে ও সহজ নয়। জেড গ্রুপ শাস্তি পেলে তাতে সাধারন বিনিয়োগকারীরা অভিশপ্ত হয়, আর জেড যখন সেই অভিশাপ থেকে মুক্ত হয় - তখন তা আশীর্বাদ হয়ে যায় । কথা এখানেই লিপিবদ্ধ। অভিশাপটা আমজনতার জন্য, কিন্তু আশীর্বাদটা সেই বিশেষ মহলের জন্য ।
♥ কিন্তু শুধু তারাই কেনো একা এই সুবিধা ভোগ করবেন? আমরা কি অপরাধ করেছি??
♪ এর সমাধান হলো বাজার কে জানুন জেড এর ভিতরে ফান্ডা বসবাস করে সেটা বুঝুন। আস্তে আস্তে জানুন কোম্পানির অন্তর্নিহীত স্বত্ত্বাকে, আরও অনেক তত্ত্ব আছে যা না জানলে হয়তো এই অভিশাপকে আশীর্বাদে পরিণত করতে পারবেন না। তাই জানার কোন শেষ নাই, আর মাইরের কোন বয়স নাই 🙂
♪তাই জেড হলো বিশেষ মহলের পৌষ মাস আর আমজনতার সর্বনাশ। আর সেই সর্বনাশ কে পৌষ মাস করতে এবার ২০১৭ কে জেডের স্বর্ণ যুগ বলা হয়েছে ।
হয়তো কিছু জেড অগ্নেয়গিরির মত বিস্ফোরণ ঘটাবে । আবার কিছু ভদ্র বেশি মানুষ শয়তানে পরিণত হবে । ♪তবে এটা সত্য ২০১৮ হবে জেডের ডায়মন্ড যুগ । আগে এটুকুই দেখুন স্বর্ণযুগটা আমাদের কি দেখায় । অপেক্ষায় থাকুন । আশীর্বাদের বণ্যা শুরু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্। শুধু দেখে যান ।
সময় আপনাদের সব কিছু দেখাবে । এই আগুনে আপনারাও পুড়বেন । কেউ সেই আগুনে কাবাব হবে, আর কেউ সেই আগুন দিয়ে কাবাব বানিয়ে খাবে ♥♥♥



 

No comments:

Post a Comment

আপট্রেন্ডে প্রাইস বাড়তে থাকলে ভলিউম বাড়ে। ডাউনট্রেন্ডে প্রাইস কমতে থাকলে ভলিউম বাড়ে। এই ভলিউম যখন ড্রাই হবে, তখন অনুমান করা হয় যে পতন থেমেছে। তার মানে এই নয় যে তখন থেকেই ঘুরবে। বাজার ঘুরে যাওয়ার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়

আপনার উক্তিটিতে বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে। এখন একে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা যাক— ১. আপট্রে...