আর যদি আপনি নামে ইনভেস্টর /বিনিয়োগকারী কিন্তু করেন ট্রেড সেই ক্ষেত্রে কিছু বলার নাই.
১. নর্দান জুট।।
২. ইটি,এল।।
৩. জি,বি,বি পাওয়ার।।
***পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৭ কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে! তার মধ্যে ১২ টি কোম্পানি নিয়মিত ডিভিডেন্ড দিয়ে যাচ্ছে! কোম্পানি আইন অনুজাই পর পর ২ বছর লভ্যাংশ না দিলে বা পর পর ২ বছর এজিএম করতে ব্যর্থ হলে জেড ক্যাটাগরি তে যাওয়ার কথা। তাহলে এইটা কিধরনের রাজনীতি?
1. Fortune Shoes Limited [Z]
2. Lub-rref (bangladesh) Limited [Z]
3. Sk Trims & Industries Limited [Z]
4. Shepherd Industries Limited [Z]
5.
Vfs Thread Dyeing Limited [Z]
6. Energypac Power Generation Limited [Z]
7. Pacific Denims Limited [Z]
8. Khulna Power Company Limited [Z]
9. Advent Pharma Limited [Z]
10. Desh Garments Limited [Z]
11. Beach Hatchery Ltd. [Z]
12. Associated Oxygen Limited [Z]
***আসুন আমরা জেড নিয়ে কিছু জানি??
♪ জেড এমন একটি ক্যাটাগরি যা মার্কেটে শাস্তি প্রাপ্ত শেয়ার হিসেবেই দেখা হয় । কিন্তু মজার ব্যাপারটা হলো শেয়ারটা কেনো জেড গ্রুপে যায় ???
♪আমার জানা মতে নো ডেভিডেন্ড দিলে, উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে (একটা নির্দিষ্ট সময়) যথা সময়ে ডেভিডেন্ড বিতরণ না করলে, এমন কিছু কারণ।
কিন্তু মূলত জেড নামক এই শাস্তি ভোগ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানি নয় মোটেও।
♪ আমাদের দেশের মার্কেট ব্যবস্থা জেডের শেয়ারের লেনদেনে ক্যাশ টাকা / পে-অর্ডার/ চেকের ব্যবহার কে নিয়ম করে দিয়েছে । আর একই সাথে জেড কে ৯x2= ১৮ দিনের ফাদে ফেলে দিয়েছে। কেউ চাইলেও জেড এই সময়ের ভিতরে কিছু করতে পারবে না । এটা সত্য অনেক প্রতিষ্ঠানই এই নিয়মকে মানে না, আড়ালে কাজ সারে। কিন্তু একটা সময় ঠিকই আসবে যেদিন টি+৯ নয়, হবে টি+৩/৪/৫, সে দিন খুব বেশি দূরে নয় ।

এখন প্রশ্ন হলো জেড এর ১৮ দিন আমাদের জন্য কি ক্ষতি করে???
♪ আমরা শেয়ার কিনলেও কখনো তা ক্রয় মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি কমে গেলে আমরা কিছুই করতে পারি না ৯ দিনের আগে । তাই কোন কারণে আটকে গেলে আমাদের শুধু ভাগ্যের হাতেই নিজেদের ছেড়ে দিতে হয় । এই একই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেক জেডকেই বর্তমান বাজারে প্রভাবিত করে ২থেকে ১০ গুণ এমনকি ২০ গুণ ও করা হয়েছে বা হচ্ছে এবং হবে।

তাহলে এই অপরাধ কি আমাদের জন্য সুফল না কুফল? ?
♪অবশ্যই এটা একটা নির্দিষ্ট মহলের জন্য সুফল এবং আমজনতার জন্য কুফল ।

তবে কি আমরা জেড এ বিনিয়োগ করবো না? ?
♪ উত্তর দেয়াটা মোটে ও সহজ নয়। জেড গ্রুপ শাস্তি পেলে তাতে সাধারন বিনিয়োগকারীরা অভিশপ্ত হয়, আর জেড যখন সেই অভিশাপ থেকে মুক্ত হয় - তখন তা আশীর্বাদ হয়ে যায় । কথা এখানেই লিপিবদ্ধ। অভিশাপটা আমজনতার জন্য, কিন্তু আশীর্বাদটা সেই বিশেষ মহলের জন্য ।

কিন্তু শুধু তারাই কেনো একা এই সুবিধা ভোগ করবেন? আমরা কি অপরাধ করেছি??
♪ এর সমাধান হলো বাজার কে জানুন জেড এর ভিতরে ফান্ডা বসবাস করে সেটা বুঝুন। আস্তে আস্তে জানুন কোম্পানির অন্তর্নিহীত স্বত্ত্বাকে, আরও অনেক তত্ত্ব আছে যা না জানলে হয়তো এই অভিশাপকে আশীর্বাদে পরিণত করতে পারবেন না। তাই জানার কোন শেষ নাই, আর মাইরের কোন বয়স নাই

।
♪তাই জেড হলো বিশেষ মহলের পৌষ মাস আর আমজনতার সর্বনাশ। আর সেই সর্বনাশ কে পৌষ মাস করতে এবার ২০১৭ কে জেডের স্বর্ণ যুগ বলা হয়েছে ।
হয়তো কিছু জেড অগ্নেয়গিরির মত বিস্ফোরণ ঘটাবে । আবার কিছু ভদ্র বেশি মানুষ শয়তানে পরিণত হবে । ♪তবে এটা সত্য ২০১৮ হবে জেডের ডায়মন্ড যুগ । আগে এটুকুই দেখুন স্বর্ণযুগটা আমাদের কি দেখায় । অপেক্ষায় থাকুন । আশীর্বাদের বণ্যা শুরু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ্। শুধু দেখে যান ।
সময় আপনাদের সব কিছু দেখাবে । এই আগুনে আপনারাও পুড়বেন । কেউ সেই আগুনে কাবাব হবে, আর কেউ সেই আগুন দিয়ে কাবাব বানিয়ে খাবে



।
No comments:
Post a Comment