Eps এর তুলনায় শেয়ারের মূল্য ৫০ টাকার উপরে থাকার কথা
বর্তমান বাজারে ট্রেডিং পদ্ধতি :
মার্কেট কন্ডিশন অনুযায়ী ট্রেডিং স্ট্রেটেজি পরিবর্তন করতে হয়। বর্তমান বাজারে নিম্ন পদ্ধতি লজিক্যাল মনে হচ্ছে।
স্টেপ-১ : কাঙ্ক্ষিত শেয়ার শক্ত সাপোর্ট এ স্ট্রং বাই সিগনাল পেলে কিনে ফেলুন।
স্টেপ-৩ : হঠাৎ একদিন ৫%+ বাড়লে এমনকি হল্টেড হলেও চোখ বুজে সেল দিন। বাড়তি লোভ করলে আম ছালা দুটাই যাবে। এমনকি পরের দিন বায়ারলেস হয়ে যেতে পারে।
====
আমি শেয়ার বিজনেস কে একটা নরমাল বিজনেসের মত ট্রিট করি। ১ লাখ টাকা ইনভেস্ট করবো, ৫-৬ হাজার টাকা যা দেয় নগদে নিয়ে নেই। লোভ করি না।
আমি এক্সপেক্ট করি না ডাবল হবে, রিডাবল হবে।
খুব দ্রুত মোটামুটি প্রফিট নিয়ে বের হয়ে যাই। তাই বাজার খারাপ হলেও আমাকে ধরতে পারে না।
একটু লম্বা সময়ের স্টক সিলেকশন:
*** ৫২ সপ্তাহের লো প্রাইজে EPS ভালো থাকলে সমস্যা তো নাই। ইনডেক্স নিয়ে বিচলিত হয়ে লাভ কি, আপনি সময় দিলে ইনডেক্স বাড়বে-কমবে, আপনার শেয়ার সঠিক জায়গায় কেনা থাকলে প্রফিট দিবেই।
*** লো-পেইড গুলো সুন্দর অবস্থায় আছে। ১-২ টা তো নেয়াই যায় (APEXFOODS, APEXSPINN, MONOSPOOL, PAPERPROC, CVOPRL, ECABLES, BANGAS, (১৫-২৫ PE RATIO) তে থাকা ইন্সুরেন্স গুলো.... এমন আরো অনেক স্টক।
*** KPPL, BDTHAI, CENTRALPHL, MIRACLE, BEACHHATCH এ ধরনের শেয়ার ট্রেড করলে ফেসবুকের পোষ্ট কিংবা কারো ভিডিও দেখে কোনো লাভ হবে না। কারণ, এগুলো শুধু তাদেরকেই প্রফিট দিবে যারা চার্টে সত্যিকারের এক্সপার্ট। অন্যথায়, এগুলো এড়িয়ে ফান্ডামেন্টাল ক্যাটাগরীর অল্টারনেটিভ গুলোতে সর্ট টার্ম ট্রেড করুন। এখন সেটাও যদি না বুঝেন, তাহলে আপনার সর্ট টার্ম ট্রেড না করাই বেটার। ADVENT, AGNISYS, BENGALWTL, SKTRIMS এগুলো হলো KPPL, BDTHAI শ্রেণির অল্টারনেটিভ লো রিস্ক শেয়ার। তবে এন্ট্রি লেভেল বুঝলে তখন সেটা সেইফ, সেলের সময় এন্ট্রি নিলে কোনো শেয়ারই সেফ না।
*** আপনি সময় দিলে ইনডেক্স বাড়বে-কমবে, আপনার শেয়ার সঠিক জায়গায় কেনা থাকলে প্রফিট দিবেই।
১. কয়েক বছরের ডিসকাউন্ট প্রাইজ
২. EPS, DIVIDENT মোটামুটি পজেটিভ
৩. শেয়ার সংখ্যা তুলনামূলক কম
শেষ কথা, বাজার কি হলো, কিভাবে ঠিক হবে না ভেবে, জাস্ট নিজেকে ঠিক করেন। বিশ্বাস রাখেন, টানা ৯০ দিন বাজার পজেটিভ হলেও ৫০% এর বেশি মানুষ লসই করবে। না হলে আপনি লাভ করবেন কার কাছে
*** সর্ট টার্ম ট্রেডার হলে, উঠতি বাজারে প্রফিট লক করে করে পরের স্টকে যাবেন। পোর্টফলিও তে অযথা ১০+ শেয়ার না রেখে কোয়ান্টিটি বাড়িয়ে ৩-৫ টি শেয়ার রাখুন। কারেকশন কন্টিনিউ করলে স্টপলসের মাধ্যমে লসটাকে ছোট রাখুন। লসের ইমোশনে কাবু হয়ে লস কখনো বড় করতে নেই। ১০% এর মধ্যেই লস মেনে নিতে শিখুন। ১০% লস রিকভারি করার জন্য সঠিক ০১ টা ট্রেডই যথেষ্ট। আবেগী না হয়ে ক্যালকুলেটিভ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাজার ইউ টার্ন নিলে আবার কিছুদিন সুজোগ দিবে।
*** অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমানে যে Stock গুলো আগামী দিনগুলোতে ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে তার কয়েকটি নাম বিবেচনায় রাখতে পারেন। নামগুলো হলো:
AAmranet, Itc, Egen, Olympic, Rd-food, Samorita, Rangpur foundry, GPHISPAT, BSRMLTD, Malek spin, Dhaka bank, Exim bank, City bank & Square pharma. তবে উল্লেখিত কোম্পানি গুলোর Bottom level এ-র কাচা-কাচি Buy করার চেষ্টা করাই হবে নিরাপদ।
যিনি, যে ষ্টকে বিনিয়োগ করেন-না কেন, নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিনিয়োগ করার আগে বিবেচনায় রাখবেন, এতে আপনার বিনিয়োগ টেকসই ও নিরাপদ হবে। Director holding বেশি, Flotting Share কম, Instuite holding বেশি, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের Quarterly EPS = অথবা বেশি, বিগত বছরগুলোতে ডিভিডেন্ড দেওয়ার %, কোম্পানির সুনাম, If any sensitive News.
Z Category is not Exceptable, EPS Negative, মালিক পক্ষ পলাতক ও Company Shutdown এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকবেন এবং এটা আপনার জন্য নাজায়েজ।
আপনার বিনিয়োগকে অধিক নিরাপদ এবং লাভবান করতে আপনার পছন্দের সর্বোচ্চ ৩/৪ টি Stocks বেচে-বেচে চুড়ান্ত করে এবং ধাপে-ধাপে বিনিয়োগ করবেন। একসাথে সব টাকা বিনিয়োগ করা স্বাভাবিক বলে মনে করি না।
======
Babu Khan
বাজার পর্যালোচনা ও বিনিয়োগ ভাবনা।
বাজারের কন্ডিশন অনুযায়ী এই মহুর্তে বিনিয়োগ অতিরিক্ত লাভ ও অতিরিক্ত লোকসানের সম্ভাবনা নেই।
বাজারের কন্ডিশন অনুযায়ী ফান্ডামেন্টাল ও টেক্নিক্যাল এনালাইসিস করা সম্পুর্ন ভিত্তিহিন।কাজেই যেসব ক্রাইটেরিয়াতেই ইতিবাচক মনে হয় সেই বিবেচনায় বিনিয়োগ করতে হবে।
যেসব ক্রাইটেরিয়াতে বিনিয়োগ করলে ৫%--২০% লাভের সম্ভাবনা থাকবে।
১/ছোট পেইডাপ ক্যাপিটাল কোম্পানি নির্বাচন করুন।
২/কম দামি শেয়ার নির্বাচন করুন।
৩/শুন্য ইনক্রিজ এর মাধ্যমে সামনে কিছুটা হলেও সম্ভাবনা রয়েছে এমন কোম্পানির শেয়ার নির্বাচন করুন।
৪/টেক্নিক্যাল এনালাইসিস মতে যেসব কোম্পানির শেয়ার কারেকশন শেষ করে কিছুটা আপে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে এমন কোম্পানির শেয়ার নির্বাচন করুন।
৫/যেখান থেকে সাপোর্ট পেয়ে আপ্ট্রেন্ডে গিয়ে ১০%---২০% বাড়া কোম্পানির শেয়ার এড়িয়ে চলুন।
৬/বিগ ক্যাপিটাল কোম্পানির শেয়ার ভলিউম হলেও এড়িয়ে চলুন।
৭/তড়িঘড়ি করে আপ্ট্রেড দেখলেই কেনার লোভ সংবরন করুন।
৮/ফান্ডা মামার কথায় শুধুমাত্র বছর বছর নাম মাত্র ডিভিডেন্ড নামক ভিক্ষা দেয়া কোম্পানির শেয়ার কেনা থেকে দূরে থাকুন।
৯/ শেয়ার সংখ্যা কম কিন্তু দাম কম তবে আয়ের ইনক্রিজ ভাল। কিনে ঘুম দিন, সময় হলে ১০%--২০% বাড়লেই কেটে পড়ুন।
১০/অনেক দামে কেনা মনে মনে ভাবছেন কেনা দাম বা লাভে না গেলে সেল করব না। এমন স্বপ্ন দেখা মন থেকে মুছে ফেলুন।
অনেকেই মনে ভাবছেন ইনিস্টিউট শেয়ার কিনে আপনাকে লাভ করিয়ে দিবে। এমন ভাবনা মন থেকে মুছে ফেলুন।
======
Babu Khan
কেমন হওয়া উচিৎ আগামির বিনিয়োগ ভাবনা।
প্রিয় ইনভেস্টরস বন্ধুরা শুভেচ্ছা নিবেন। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামির বিনিয়োগ ভাবনা ও ট্রেড্র অংশ নিতে হবে।
ইতি মধ্যে আমরা দেখেছি অনেক দুর্বল কোম্পানি শুধুমাত্র ম্যানুপুলেট করে আকাশে দাম উঠিয়েছে। আবার একই কায়দায় দাম নামিয়েছে।
➤অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে অতিমাত্রায় ম্যানুপুলেট করে যদি কোন ফান্ডামেন্টাল কোম্পানির শেয়ার দর কমে পাই তাহলে কেনার সুযোগ হাত ছাড়া করবো না।
➤কোন কোম্পানি ধারাবাহিক আয়ের ডিক্রিজ করলে ঐ শেয়ার থেকে দূরে থাকবো।
➤কোন কোম্পানির আয়ের ধারাবাহিক ইনক্রিজ করলে প্রত্যাশিত প্রাপ্তির আগে ঐ শেয়ার থেকে প্রফিট টেক নয়।
➤কোম্পানি দুর্বল, জাংক,শেয়ার সংখ্যা কম,কিন্তু আগামিতে সম্ভাবনার জানান দিচ্ছে, এমন শেয়ার সস্থা দামে কিনে লক্ষ স্থির করবো।যতখন না লক্ষে পৌঁছে ততক্ষন হোল্ড করাই উত্তম হবে।
➤কোন ফান্ডামেন্টাল লোকাপ ইনক্রিজের মাধ্যমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে, এবং মূল্ধন বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে এমন শেয়ার কমে কেনার সুযোগ হাত ছাড়া নয়। বা কেনা থাকলে সস্থা দামে সেল নয়।
➤ বাজার পতনের পরে স্বাভাবিকভাবেই বাজার ইতিবাচক ধারায় যাওয়ার সময় সমষ্ঠীগত পচা শেয়ার ও দাম বাড়তে পারে, এমন শেয়ারে লোভে পড়া যাবে না, বরং এমন পরিস্থিতিতে সর্বশেষ দর থেকে ২০%---৩০% গ্যাপ পেলে বের হতে হবে।
➤ তবে কোন ভাল মানের শেয়ার সর্বনিম্ন দর থেকে ২৫%---৩৫% লাভে যায়, এমন শেয়ার সেল করলেও পূন্রায় কারেকশন দেখে বাই ব্যাক করা উত্তম হবে।
➤অতীতের ন্যায় বাজার আপ্ট্রেন্ডে গেলে, কিছু কিছু কোম্পানির শেয়ার দর অতি মাত্রায় প্লে করবে এটা স্বাভাবিক। কারন শেয়ার দরে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক গেম করবে এটা শেয়ার বাজারের বৈশিষ্ট্য। দুনিয়ায় সব স্টক মার্কেটেই গেম্লিং হয়। বিডি স্টকে ও হবে এটাই স্বাভাবিক। স্টক মার্কেটে গেম্লিং না থাকলে কেউ ই একগানে বিনিয়োগ করতে আসবে না। শুধুমাত্র ডিভিডেন্ড নির্ভর বাজার হলে সবাই এখান থেকে বের হয়ে সুদি কোম্পানির দোকানে ভিড় জমাবে।
➤কত গুলা স্লোগান মুখস্ত করা দরকার
>বাজার ও স্টক সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায়, আপ এন্ড ডাউন হওয়াই বাজারের বৈশিষ্ট্য।
>আপে যেমন প্রফিট নিতে মজা তেমনি ডাউনে কিনে মজা।
>সব পুঁজি একবারে বিনিয়োগ না করে, বরং ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করতে হবে।
➤কম দামে প্রথম করার পরে সেই শেয়ার আপে গেলে আরো বেশি বাই নয়।
তবে প্রথম বাই থেকে কমে পেলে ধাপে ধাপে আরো বিনিয়োগ করা উত্তম।
➤শেয়ার দর আপে গেলে আর পাবনা এমন মনোভাব নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ার অভ্যেস পরিহার করতে হবে।
➤গোড়ায় বিনিয়োগ চূড়ায় নয় এমন স্লোগানের প্রতিপাদ্য হিসেবে, মনে লালন করুন গোড়ায় বিনিয়োগ পুঁজি রক্ষা, আর চূড়ায় বিনিয়োগ পুঁজি শেষ।
কাজেই অতিরিক্ত প্রফিট থেকে পুঁজি সেইয়ের চিন্তা আগে মাথায় আনতে রাখতে হবে।
➤প্রফিট টেকের বিকল্প শুধুই প্রফিট টেক সব সময় মাথায় রাখুন।
বিঃদ্রঃ আমাদের আগামির লক্ষ হোক, দক্ষ বিনিয়োগকারী হয়ে নিজেকে সফল করা।
No comments:
Post a Comment