Thursday, January 2, 2025

শেয়ার বাজারে কেন কি হয়

একটি স্টকে কেন নিত্য নতুন রেজিস্টেন্স সৃষ্টি হয় ?

A লেভেলে যারা কিনে প্রফিট করতে পারেনি, তারা তখন তার কেনা দামের কাছাকাছি প্রাইসে স্টকটি সেল দিতে চায়। আর এ কারণেই নিত্য নতুন রেজিস্টেন্স সৃষ্টি হয়!
চার্টে দেখা যাচ্ছে:
B লেভেলে রিজেকশন হয়েছে মূলতঃ A লেভেলে যারা কিনছে তাদের জন্যই! এখানে লস রিকোভারিই হলো প্রফিট এটাই পাবলিক সেন্টিমেন্ট!
আবার
C লেভেলে রিজেকশন হয়েছে মূলতঃ B লেভেলে যারা কিনছে তাদের জন্যই! এখানে লস রিকোভারিই হলো প্রফিট এটাই পাবলিক সেন্টিমেন্ট!
=> ঠিক এভাবেই নিত্য নতুন রেজিস্টেন্স সৃষ্টি হয়!

===
যারা A লেভেলে কিনে SL দেয়ার যুযোগ পায়নি তারা B লেভেলে সেল করে ক্যাশ করে!
এই ক্ষেত্রে পাবলিক সেন্টিমেন্ট কাজ করে এই রকম:
স্টকটি থেকে তারা আর টার্গেট করে প্রফিট নিতে চায় না বরং যতটা বাই প্রাইসের কাছাকাছি সেল করা যায় সেটিই থাকে তাদের মূল টার্গেট!
এই ক্ষেত্রে গ্যাপ-আপ ওপেন হয় তাদের সেল করার পছন্দের জায়গায়!
===
মাত্র একটি শেয়ার লেনদেন করে টপ লিস্টে চলে আসলো!
~ টপ লিস্টে সবই স্ট্রং ফান্ডামেন্টাল শেয়ার!
— feeling cool.

===
একটি স্টকের ট্রেন্ডর কখন পরিবর্তন হয়?
~ একটি স্টকের ট্রেন্ডের পরিবর্তন কখন হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা খুবই কঠিন কারণ স্টকমার্কেটে শেষ এনালাইসিস বলে কিছুই নাই। তবে কিছু লক্ষণ দেখে একটি ধারণা করা যেতে পারে যে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
১। চার্ট প্যাটার্ন:
সাপোর্ট কিংবা রেজিস্ট্যান্স ব্রেক করা,হেড অ্যান্ড শোল্ডার, ডাবল টপ, ডাবল বটম, ট্রেন্ডলাইনের মধ্যে হরিজন্টাল, এসেন্ডিং, ডিসেন্ডিং ব্রেক করা।
২। ফান্ডামেন্টাল পরিবর্তন:
আর্নিং কিংবা ডিভিডেন বা অন্য ডিক্লারেশন ভালো কিংবা খারাপ যাইহোক তার উপর ভিত্তি করে ট্রেন্ডের পরিবর্তন হতে পারে।
৩। ভলিউমের পরিবর্তন:
কোনো একটি স্টকের ভলিউম হঠাৎ বেড়ে গেলে বা কমে গেলে এটি নতুন ট্রেন্ডের শুরু বা শেষের ইঙ্গিত হতে পারে।
৪। ক্যান্ডেল গ্যাপ আপ বা গ্যাপ ডাউন:
কোনো একটি স্টকের প্রাইস যদি বড় গ্যাপ দিয়ে ওপেন হয় হতে পারে সেটি উপরের দিকে কিংবা নিচের দিকে, এইরকম ক্ষেত্রে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে।
৫। মার্কেট/পাবলিক সেন্টিমেন্ট:
দেশের অর্থনৈতিক / রাজনৈতিক / নীতি নির্ধারকদের কথা/কাজ/সিদ্ধান্ত ভালো/খারাপ যা বিনিয়োগকারীর উপর একটি মনস্তাত্বিক চাপ থাকলে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে।

===
সাপোর্ট কিংবা রেজিস্ট্যান্স বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে যা ম্যান টু ম্যান ভেরি করে।
আমি যেখানে রেজিস্টেন্স দেখি অন্যজন হয়তো সেখানেই সাপোর্ট দেখে অনুরূপভাবে আমি যেখানে সাপোর্ট দেখি অন্যজন হয়তো সেখানে রেজিস্টেন্স দেখে মানে ভাইস-ভার্সা, এই ক্ষেত্রে দুজনেই সঠিক!
১। সাইকোলজিকাল সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:-
যেমনঃ এটির কোনো নিদ্রিষ্ট কোনো রুল নাই! কোনো যৌক্তিক কারণও খুঁজে পাওয়া যাবে না, হতে পারে এইরকম, কোনো কারণে ইনডেক্স ৩৫০০ গেলে জায়গা জমি সব সেল করে, শেয়ার কিনে বসে থাকবো, তবে ইনডেক্স ওই জায়গায় যাবে কি, যাবে না সেটি একটি ভিন্ন বিষয় আবার স্কোয়ার ফার্মা কোনদিন ৫০ টাকা হলে ১ লাখ কিনবো ল্যাব ল্যাব ইত্যাদি!
২। টেকনিক্যাল সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:- যেমনঃ শুধুমাত্র ক্যাডেল চার্ট এর ওপেন-হাই-লো-ক্লোজ এর উপর ভিত্তি করে!
৩। হিস্টোরিক্যাল সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:- যেমনঃ সাধারণত লাইন চার্ট ইয়ার্লি টু ইয়ার্লি প্রাইস এর উপর ভিত্তি করে!
৪। ইন্ডিকেটর বেজ্ড সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:- যেমনঃ ফিবোনাচ্চি প্রাইস লেভেল এর উপর ভিত্তি করে!
৫। চ্যানেল সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:- যেমনঃ প্রাইস মুভমেন্টের এর উপর ভিত্তি করে হরিজন্টাল, এসেন্ডিং, ডিসেন্ডিং!
৬। মামু'স সাপোর্ট/রেজিস্ট্যান্স:- যেমনঃ মার্কেট মেকাররা কোনো একটি স্টকের প্রাইস এমন একটি লেভেলে সাপোর্ট বানিয়ে কালেকশন করবে, আপনি এই সাপোর্ট অনুমান করতে পারবেন না আবার প্রাইস টপ এ এমন একটি লেভেলে নিয়ে রেজিস্ট্যান্স বানিয়ে ডিস্ট্রিবিউশন করবে যা অনুমান করা কঠিন!
বিঃদ্রিঃ এই পোস্ট সিরিয়াসলি নেয়ার কিছুই নাই!










No comments:

Post a Comment

আপট্রেন্ডে প্রাইস বাড়তে থাকলে ভলিউম বাড়ে। ডাউনট্রেন্ডে প্রাইস কমতে থাকলে ভলিউম বাড়ে। এই ভলিউম যখন ড্রাই হবে, তখন অনুমান করা হয় যে পতন থেমেছে। তার মানে এই নয় যে তখন থেকেই ঘুরবে। বাজার ঘুরে যাওয়ার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়

আপনার উক্তিটিতে বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে। এখন একে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা যাক— ১. আপট্রে...