প্রচলিত-প্রথাগত-পুঁথিগত চিন্তা চেতনা দিয়ে এখন আর চলে না! -Nur Hossain
১। চিন্তা করুন রিসেন্ট রেঞ্জ কি ? ০~২৪.৪২%
২। রিসেন্ট ট্রেন্ড কি ? আপ ট্রেন্ড ?, ডাউন ট্রেন্ড? সাইডওয়ে?
৩। রিট্রেসমেন্ট কিংবা রিভার্সাল ? ফিবো -৫০% কিংবা -৬১%
৫। অথচ -১৬% ডাউন হওয়ার পর ট্রেন্ডে গেলো!
=> কিন্তু এমনটি কেন হলো ?
কারণ বেশির ভাগ মানুষ তথাকথিত সাপোর্ট/রেজিস্ট্যাস ফলো করে, ফলে এই লেভেলে বড় বড় রেড ক্যান্ডেল আমাদেরকে ভয় দেখিয়ে
স্মার্টমানি/লিকুইডিটি গ্রাব করে! অর্থাৎ এই লেভেলেই ডিসকাউন্ট প্রাইসে বা কম দামে শেয়ার হাতিয়ে নেয়ার জন্য বসে থাকে!
আর যেই লেভেলে আমরা ঝাপিয়ে পড়বো ঠিক ততক্ষনে স্টকটি +৩৫% বেড়ে যায়! যা কিনা স্মার্টমানির ডিস্ট্রিবিউশনের পছন্দের জায়গায়!
CENTRALPHL এটি একটি লার্নিং পোস্ট। বাই/সেল নির্দেশ করে না!
====
ইনডেক্স বনাম শেয়ার (স্বাভাবিক মার্কেট এ)
১। ডাউন ট্রেন্ড শুরুর দিকেঃ ইনডেক্স যখন ডাউনটেন্ডে থাকে তখন প্রথম দিকে অধিকাংশ শেয়ারই ডাউনের দিকে যেতে থাকে। এ সময়ে ইডেক্সে শুটিংষ্টার জাতীয় ক্যান্ডেলের সৃষ্টি হতে দেখা যায়।
২। মধ্যবর্তী ডাউনট্রেন্ডেঃ কিছু লোপেইড আপ ও জেড ক্যাটাগরীর শেয়ার লাফাতে লাফাতে বাড়তে থাকে। অন্য শেয়ারগুলো থ্রি ব্লাক ক্রো জাতীয় ক্যান্ডেল তৈরী করে।
৩। ডাউটেন্ডের শেষ দিকে/সাইডওয়েজ থাকাকালীন সময়েঃ যে শেয়ার যখনই সুযোগ পায় তখনই দৌড় দেয়ার চেষ্টা করে। অনেক দিন ধরে একুমুলেশন হওয়া শেয়ার হটাৎ করে মানি ডাবল হয়ে যায়। অবশিষ্ট কিছু লোপেইড ও জেড বাড়তে থাকে। এ সময়ে সেলিং ক্লাইমেক্স তৈরী হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরর দীর্ঘদিনের লালিত শেয়ারগুলো পানির দরে স্মার্ট মানি সংগ্রহ করে ফেলে।
৪। আপ ট্রেন্ডের শুরুর দিকেঃ সকল শেয়ারই বাড়তে থাকে তবে পেনি শেয়ার থেকে ভাল লাভ পাওয়া যায়। পুর্বের বৃদ্ধি পাওয়াগুলো ডাউন হতে থাকে।
৫। আপটেন্ডের পরবর্তী পর্যায়েঃ মিডিয়াম পেইড আপ ও পেনি শেয়ারের চেয়ে দাম বেশি (২০/২৫- ১০০/১৫০) এ ধরণের শেয়ার খুব ভাল গেইন দেয়।
৬। আপ টেন্ডের চুড়ান্ত পর্যায়েঃ হাই পেইড আপ ক্যাপিটাল ও ব্যাংকগুলো টেনে ইডেক্স কে চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে বাইং ক্লাইমেক্স তৈরী করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আটকে দেয়।
** এ ধারা পূর্বে থেকেই চলে আসছে এবং চলবে অবিরত। কিন্তু সমস্যা একটাই ইনডেক্স কখন অবস্থায় আছে তা নির্ণয় করা। এটি এত কঠিন যে সাধারণ বিনিয়োগারী অধিকাংশ সময়ে ভ্রমে পড়ে যায়।
** ট্রেন্ড যেভাবে ধোকা দেয় সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরঃ
১। যখন ডাউটেন্ড শুরুতে সাধারণ বিনিয়োগকারীগণ মনে করে সাভাবিক কারেকশন।
২। মধ্যবর্তী ডাউনে কিছু দিন আপ হলে মনে করে ডাউনটেন্ড শেষ হয়েছে। তখন পুনরায় টাকা পয়সা সংগ্রহ করে আবার শেয়ার কেনে আবারও ধরা।
৩। আপ টেন্ডের শুরুতে ২য় ধরায় যে মাজা ভেংগে যায় তাতে ফোস ফোস করা ছাড়া ছোবল মারার ক্ষমতা থাকে না। তা ছাড়া ভাবে আবারও বুঝি ২য় ধরার ন্যায় ৩য় ধরায় পড়তে পারি।
৪। সাধারণ বিনিয়োগারী বুঝে উঠার আগেই আপটেন্ড অনেকদুর এগিয়ে যায় তারা মার্কেটে ঢুকতে না ঢুকতেই শুরু হয় আপ টেন্ডের ১ম ক্যারেকশন।
৫। কারেকশন শেষে আপ টেন্ডের মধ্যবর্তী সময়ে সাধারণ বিনিয়োগকারী কিছু লাভের মুখ দেখতে পায়।
৬। পূর্ববর্তী স্তরে (আপটেন্ডের মধ্যবর্তীস্তরে) লাভের মুখ দেখাতে সেই মোহে পড়ে কখন যে ডাউনটেন্ড শুরু হয় তা মালুমই করতে পারে না সাধারণ বিনিয়োগকারী।
*** এ ধোকাও পূর্ব থেকেই চলে আসছে এবং চলবেও অনন্ত কাল। কারণ এর নাম শেয়ার মার্কেট । আর জীব জগতের বাস্তু সংস্হান এর সুত্র ও শেয়ার বাজারে ব্যবহৃত হয় এভাবেঃ ছোটকে খায় মাঝারী এবং মাঝারীকে খায় বড় বিনিয়োগকারীরা। ধন্যবাদ।
=========
ABC শেয়ারটি বাছাই করা হলো। কোম্পানি থেকে শেয়ারহোল্ডিং পজিশনের লিস্ট বের করা হলো। দেখা গেলো সেখানে পাবলিকের কাছে সর্বনিম্ন রেটে কেনা আছে ৮ টাকায়। তারপর আর কেউ কিনছেনা। এবার খেলা শুরু।
১। সার্কুলার ট্রেড করে ৪ টাকায় নিয়ে আসা হলো।
২। সার্কুলার ট্রেড করেই আবার ৭.৯ টাকায় নিয়ে আসা হলো।
৪। যার ৮ টাকাতে কেনা সে ভাবলো আহ্হা ৭.৯ টাকায় বিক্রি করে দিলে ভালো করতাম।
৫। কয়েকমাস বিরতি দিয়ে আবার ৭.৯ টাকায় নিয়ে আসা হলো। ৮ টাকায় কেনাওয়ালা এবার আর ভুল করলেন না, তিনি ঠিক ঠিক বের হয়ে গেলেন। মজাটা ঠিক তখুনই।
৬। মামুরা এবার টান দিয়ে উপরে নিয়ে গেলো। আর সেটা ৮ টাকায় এলেনা।
৭। এবারের মিশন ৮ থেকে ১০ টাকায় যাদের কেনা আছে তাদেরকে বের করে দেয়। একই স্টাইলে বের করে দেয়া হলো।
৮। কিছু ছ্যাঁচড়া আছে যাদের সেই লেভেলের ধৈর্য্য, তারা কিছুতেই বিক্রি করেনা। এই তারাই শুধু প্রফিট করতে পারে। বাকি সবাই বার বার আটকে যায়।
৯। অনেক উপরে উঠার পরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে এড দেয়া হলো। লোভিরা কিনতে লাগলো।
১০। হঠাৎ করে বন্ধ কোম্পানিতে আলাদিনের চ্যারাগের দৈত্য এসে ইপিএস বাড়িয়ে দিলো। ততদিনে শেয়ারের প্রাইস অনেক বেড়ে গেছে।
১১। ইপিএস দেখে যারা শেয়ারটি খেতে চাইলো তাদের খাওয়ানো হলো। তারপর থেকেই টানা ডাইরিয়া।
এই হলো আমাদের শেয়ার বাজার। এখানে তুমি টেকনিক্যালের কোনট টেকনিক ফলাবা?
==============
১. বাজার পড়তেছে, বিনিয়োগ এর সুজোগ আসতেছে। ট্রেডারদের জন্য জঘণ্যতম স্টেটমেন্ট। এই সাইকোলজি শুধুমাত্র ডিভিডেন্ড ভিত্তিক ইনভেস্ট এর জন্য প্রযোজ্য। ট্রেডিং এর সুজোগ কড়া ডাউন ট্রেন্ড ব্যাতীত সব সময় থাকে।
৩. বাজার ভালো হলে বাড়বে। আরেকটি খুশি করবার জন্য স্টেটমেন্ট। ০১ টা স্টক ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে ০৫-১০ বার ট্রেড করার সুজোগ দেয়। কিন্তু, অনেকে বসে থাকি কবে ৩৫+ হবে, কেনা দাম ফিরে পাবো। এই সাইকোলজি থাকলে........
৪. কিনেছেন GEMINI কিংবা ORIONINFU, এটার আবার ফেয়ার ভ্যালু খোজেন
উল্টোদিকে MALEK, ITC কিনে বলেন আটকে আছি। ওফ, শুনতেও অসহ্য লাগে।
৫. PADMAOIL কিনতে মন চায়, কিন্তু কেনো? কারণ, এটা অনেক ভালো ডিভিডেন্ড দেয়। কিন্তু কেনার ২ মাস পরে দাম না বাড়লে আর সহ্য হয় না। ডিভিডেন্ড দেবে কিন্তু পরের বছর। অর্থাৎ, নিজের মূল উদ্দেশ্য না জেনেই একটা স্টক ভালো বলে ট্রেড নিয়ে নেয়া।
ট্রেডিং এর সবচাইতে বড় ভূল ডাউন ট্রেন্ড শুরু হওয়ার পরে অনেক খানি দাম কমেছে ভেবে সেই স্টক টা কেনা 
উদাহরণ: 1STPRIME, MIDLAND...... আর অতীতের EMERALDOIL, SEAPEARL এসবের কথা নাই বা বল্লাম।
স্টপলস সেট করে আপট্রেন্ডের স্টক ট্রেড করলে আপনার কিঞ্চিৎ ভূল হলেও অনেক সময় পার পেয়ে জাবেন। পক্ষান্তরে, শত হিসাব নিকাশ করেও ডাউন ট্রেন্ডে স্টক কিনলে ফেইল করার সম্ভাবনা ৯০%
========
প্রশ্নকারী: লং টার্ম এর জন্য ভালো হবে কোন গুলো?
🙋🏻 উত্তর দাতা: লং টার্ম বলতে কত বছর রাখতে আগ্রহী?
🙋🏻 উত্তর দাতা: ১ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত হোল্ড করলেও সেটাকে মিড টার্ম বা পজিশন ট্রেডিং বলা হয়। লং টার্ম ইনভেস্ট এর মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্যাপিটাল গেইন চিন্তা করলে ০৩ থেকে ০৫ বছর। আর, ফিনানশিয়াল ফ্রীডমের জন্য পোর্টফলিও তেরি করতে চাইলে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড এভারেজে ১৫ বছরের জন্য ইনভেস্ট করা। বেশি সময় হলে আরো ভালো। কারণ, এখানে মূল ম্যাজিকটা হয় ডিভিডেন্ড কম্পাউন্ডিং এর মাধ্যমে যেটা ০৫ বছরের জন্য করলেও কোনো লাভ নাই। আপনার বয়স- ৪০ এর নিচে হলে ভাবতে পারেন। অন্যথায়, ৫-৭ বছরের জন্য SIP প্রসেসে গিয়ে অযথা SIP এর বদনাম করে কোনো লাভ নেই।
🙋🏻 উত্তর দাতা: EPS এর মিটিং চলমান। EPS গুলো ডিক্লেয়ার শেষ হোক, তারপর প্রাইজ Vs আর্নিংস দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
🙋🏻 উত্তর দাতা: ভাই মাত্রই তো বল্লাম EPS দেয়া শেষ হোক। আর মাত্র ১ সপ্তাহ বাকি।
🙋🏻 উত্তরদাতা: বল্লেন লং টার্ম কোন গুলো ভালো হবে আর এখন ১ সপ্তাহ?
🙋🏻 উত্তর দাতা: চার্ট বোঝেন? এনালিসিস চেক করতে পারেন?
🙋🏻 উত্তর দাতা: অলস টাকা ব্যাতীত শেয়ার মার্কেটে ভূলেও ঢুকাবেন না। পুঁজিবাজার ঝুকিপূর্ণ। তাও আবার এনালাইসিস ও বোঝেন না।
🙋🏻 উত্তর দাতা:
🙋🏻 উত্তর দাতা: স্টপলস ভূলবেন না কোনো ভাবেই৷ ৪৮ এর নিচে গেলে এক্জিট। ধাপে ধাপে কিনবেন।
🙋🏻 উত্তর দাতা: কি বলেন
কেনাও শেষ। বল্লাম কয়েকদিনে এভারেজ করে কিনতে। যাই হোক, স্টপলস খেয়াল রাখবেন।
🙋🏻 উত্তর দাতা: আপনাকে তো বলেছিলাম ৫০-৫৪ পর্যন্ত এভারেজ করে কিনতে। এখনো তো বাই রেন্জেই আছে।
🙋🏻 উত্তর দাতা: টাকাও নাই, আবার লোডও করে ফেলেছেন। তাহলে কি পরামর্শ দিবো। আপাততো স্টপলস না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।
🙋🏻 উত্তর দাতা: আপনি তো এনালাইসিস বোঝেন না, নিটিং করবেন কিভাবে। অপেক্ষা করাই ভালো।
৭ দিন পর...... স্টকের দাম ৫৮ টাকা
ওদিকে ৫৯ টাচ করে একটা "বিয়ারীশ এনগাল্ফিং" ক্যান্ডেল হলো, সাথে হিউজ ভলিউম।
পরেরদিন, সকাল থেকেই দাম কমা শুরু। কমতে কমতে ৫৪ টাকায় লাল হল্ট।
🙋🏻 উত্তর দাতা: ভাই আমি তো আপনার স্টক মনিটর করছিলাম না। সেল প্রেশার দেখে সেল করলেন না কেনো। লস তো হয় নাই, কাল শুরুতে একটু বাড়লে সেল করে দিয়েন। ডিস্ট্রিবিউশন হয়েছে। রিস্ক হবে।
🙋🏻 উত্তর দাতা: সেল করেছেন তো?
🙋🏻 উত্তর দাতা: আপনার তো ১-২ টাকা লাভে আজকেও সেল করার সুজোগ ছিলো। এখন স্টপলস মাষ্ট মেনে চইলেন।
পরেরদিন স্টকটি স্টপলস হলো। আর বিনিয়োগ কারী লস রিকভারির আশায় বসে রইলেন। এভাবে করে কমতে কমতে স্টকটি ৩০ টাকায় নামলো। মাঝে ইনডেক্স ৫০০+ কারেকশন হলো।
🙋🏻 উত্তর দাতা: এভাবে বলে বলে ট্রেডিং হয় না ভাই। আপনি দক্ষ কারো পরামর্শ নিতেই পারেন। কিন্তু ট্রেডিং করতে হলে অবশ্যই আপনাকে এনালাইসিস নিজে পারতে হবে।
.
চলিতেছে সার্কাস
======================
Trading is not about the "Pricing"
It's only about the "Timing"
ট্রেড করতে আসলে সবার চেয়ে কমে নয়, আপট্রেন্ডের কারেকশন ফলো করে, রিভার্সালে ট্রেড প্ল্যান করুন।
ইনভেস্টর হলে এক ও অদ্বিতীয় পন্থা, লং টার্ম SIP করা।
লামসাম ইনভেস্টমেন্ট এর রেজাল্ট বেশির ভাগ সময়ই হতাস করবে।
যে কোন স্টক EPS/ডিভিডেন্ড ডিক্লেয়ার করার আগের ১ মাস-১৫ দিনে প্রাইজ আপ হয়ে থাকলে, EPS এর ২-১ দিন আগেই হাই ভলিউমে সেল করে বেরিয়ে যান।
উদাহরণ:
CONFIDENCE CEMENT (৬২ থেকে ৮৯), ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েই কারেকশন
আর কারেকশন হওয়া স্টকের EPS হঠাৎ করে ভালো আসলে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ে। উদাহরণ : FEKDIL
আমি শুধুমাত্র রিসেন্ট উদাহরণ দিলাম বুঝার জন্য। তবে, প্রসেসটা সর্বাবস্থায় সকল স্টকের জন্য প্রযোজ্য।
=
রাজনৈতিক বিবেচনায় ৩২টি কোম্পানি পূর্বের সরকার এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে - এমন একটি সংবাদ পত্রিকায় এসেছে, উপস্থাপক বলছেন, বিনিয়গকারী কিছুটা ভীত আছেন বা হচ্ছেন ! ভাবলাম - দেখি চার্ট কি বলে, না বিধিবাম - চার্ট কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল জানে না ! চার্টে কোন ভীতি দেখছি না। উদাহরণ দেয়া যাক:
এস আলম কোল্ড - অক্টবর থেকে ফেব্রুয়ারি ৪ বার হাইকে গিয়েছে
এসপিসি - নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি ৫ বার হাইকে গিয়েছে
ছুটির দিন - ৩২ টি চার্টই দেখেছি, একটু দেখা এই যা - ভালো থাকুন, সকলের ভাল সময় কাটুক - প্রত্যাশা রইলো 
=====
একটা বইতে পড়েছিলাম, "ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস মিলিয়ে ক্রয় করুন এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিসের উপর ভিত্তি করে বিক্রয় করুন।"
দাম চুড়ায় পৌছে গেছে- যেভাবে বুঝবেন:
* ২৫%-৫০% যদি ৩ সপ্তাহ বা তার কম সময়ের মধ্যে পুর্ন হয়
* দিনের মধ্যে প্রাইস এমন একটা মুভ করলো, যেখানে দেখা যায় যে পুরো চার্টে দেয়া মুভ আপের চেয়েও বেশী হয়
* এক্সজশশন গ্যাপস বা ক্লান্তিকর শূন্যস্থান দিয়ে উত্থান
* ২০০ ডেইলি MA এর উপরে ১০০% দর
* স্টক যদি রিসেন্টলি স্প্লিট হয়
* ৭ থেকে ৮ দিন যদি ক্রমাগত উত্থান ঘটে
* সাপ্তাহিক স্প্রেড বৃদ্ধি
আর একটা কি রেইলরোড ট্র্যাক এন্ড আইল্যান্ড টপ্স বুঝি না।
রেলরোড ট্র্যাক (Railroad Tracks) এবং আইল্যান্ড টপস (Island Tops) ব্যাখ্যা
১. রেলরোড ট্র্যাক (Railroad Tracks) প্যাটার্ন
রেলরোড ট্র্যাক হলো একটি বুলিশ থেকে বেয়ারিশ রিভার্সাল (উর্ধ্বমুখী ট্রেন্ডের পর পতনের সংকেত) ক্যান্ডলস্টিক প্যাটার্ন। এটি সাধারণত তখন তৈরি হয় যখন বাজারের মনোভাব হঠাৎ পরিবর্তিত হয় এবং ক্রেতারা দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নেয়।
✅ কীভাবে চেনা যাবে?
- পরপর দুটি ক্যান্ডলস্টিক থাকে, যেখানে প্রথমটি লম্বা বুলিশ ক্যান্ডেল (সবুজ বা সাদা) হয় এবং পরেরটি প্রায় একই আকৃতির বেয়ারিশ ক্যান্ডেল (লাল বা কালো) হয়।
- দুটি ক্যান্ডেলের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে, দেখতে অনেকটা রেললাইনের দুটো সমান্তরাল ট্র্যাকের মতো।
- এই প্যাটার্ন সাধারণত উর্ধ্বমুখী প্রবণতার (uptrend) শেষে দেখা যায় এবং এটি বাজারে বিক্রির (sell-off) সংকেত দেয়।
✅ এটার গুরুত্ব কী?
- এটি ইঙ্গিত দেয় যে ক্রেতারা শুরুতে দাম ওপরে তুলেছে, কিন্তু পরের দিন বা সময়কালে বিক্রেতারা পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।
- যদি বড় ভলিউম (volume) সহ ঘটে, তবে এটি শক্তিশালী ট্রেন্ড রিভার্সাল এর ইঙ্গিত দেয়।
- এই প্যাটার্নের পর স্টকের দাম সাধারণত নিচের দিকে যেতে শুরু করে।
২. আইল্যান্ড টপস (Island Tops) প্যাটার্ন
আইল্যান্ড টপস একটি বাজারের শীর্ষে তৈরি হওয়া রিভার্সাল প্যাটার্ন, যা নির্দেশ করে যে একটি স্টকের দাম চূড়ায় পৌঁছে গেছে এবং এখন নামতে শুরু করতে পারে।
✅ কীভাবে চেনা যাবে?
- একটি ছোট গ্যাপ (gap up) দিয়ে স্টক ওপরে উঠে এবং বেশ কিছুদিন সেই লেভেলে ট্রেড করে।
- এরপর আবার একটি গ্যাপ (gap down) দিয়ে নীচে নেমে যায়, যার ফলে আগের শীর্ষবিন্দু একা "দ্বীপের" মতো দেখতে লাগে।
- এই দ্বীপের চারপাশে থাকা শূন্যস্থান (gap) বাজারের দিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
✅ এটার গুরুত্ব কী?
- এটি বোঝায় যে স্টকের জন্য বাজারের আগ্রহ হঠাৎ কমে গেছে, ফলে বিক্রেতারা নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।
- সাধারণত বড় ভলিউম সহ ঘটে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতমুখী সংকেত হতে পারে।
- যদি গ্যাপ ডাউন বড় হয় এবং পরবর্তী ট্রেডিং দিনে দাম নামতে থাকে, তাহলে এটি স্টক বিক্রির সময় হতে পারে।
সংক্ষেপে পার্থক্য
| প্যাটার্ন | কেমন দেখায় | কী বোঝায়? |
|---|---|---|
| Railroad Tracks | দুটি বড় সমান ক্যান্ডেল (একটি সবুজ ও একটি লাল) | স্টক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা হারাচ্ছে, পতনের সংকেত |
| Island Tops | গ্যাপ আপ হয়ে একটি দ্বীপের মতো কিছুদিন থাকে, তারপর গ্যাপ ডাউন করে | স্টক শীর্ষে পৌঁছেছে, এখন পতনের সম্ভাবনা |
===========
সাদেক এগ্রো ইমরান কট। সিন্ডিকেট এর হেড। এইবার যদি গরুর দাম কমে।
শেয়ার মার্র্কেট থেকে লাভ তুলে নিতে জানতে হবে।
* ছোট হোক আর বড় হোক-সপ্তাহ বা মাস বা ত্রৈমাসিক বা ষান্মাসিক লাভ তুলে নিতে হবে
* মার্কেটের ইন্ডেক্স আপ বা ডাউনের সাথে সাথে কোন কোন কোম্পানির শেয়ার ওঠা-নামা করে তার হিসাব রাখতে হবে
===
শেয়ার মার্কেট থেকে লাভ নিশ্চিত করতে আরও কিছু কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে:
✅ লাভ তোলার নির্দিষ্ট কৌশল ঠিক করা:
টার্গেট প্রফিট সেট করুন (যেমন ১০%-২০% লাভ হলে কিছু শেয়ার বিক্রি করা)।
ধাপে ধাপে প্রফিট নেওয়ার নিয়ম ঠিক করুন (যেমন ৫০% বিক্রি, ৫০% হোল্ড)।
✅ ডাইভার্সিফিকেশন বজায় রাখা:
একই খাতের অনেকগুলো শেয়ারে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন খাতের শেয়ারে বিনিয়োগ করুন।
লং-টার্ম ও শর্ট-টার্ম দুই ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা রাখুন।
✅ মার্কেট ট্রেন্ড ও সেন্টিমেন্ট বিশ্লেষণ করা:
মার্কেটের মেজাজ বুঝতে নিউজ, রিপোর্ট ও অর্থনৈতিক আপডেট মনিটর করুন।
ইন্ডেক্স ও খাতভিত্তিক শেয়ারের মুভমেন্ট লক্ষ্য করুন।
✅ স্টপ লস ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ফলো করা:
শেয়ারের দাম নির্দিষ্ট লেভেলের নিচে নেমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রির পরিকল্পনা রাখুন।
এক শেয়ারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করে রিস্ক কমান।
✅ ডিভিডেন্ড ও বোনাস শেয়ারের লাভ নেওয়া:
ভালো ডিভিডেন্ড প্রদানকারী কোম্পানির শেয়ার ধরে রেখে ডিভিডেন্ড থেকে লাভ তোলা।
বোনাস শেয়ার পাওয়ার পর বাজার অনুযায়ী কিছু বিক্রি করা।
✅ অপ্রয়োজনীয় লোভ এড়িয়ে চলা:
অতিরিক্ত লাভের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ারে বিনিয়োগ না করা।
বাজার যখন অতিরিক্ত চড়া বা অতিরিক্ত নিম্নমুখী, তখন আবেগপ্রবণ হয়ে সিদ্ধান্ত না নেওয়া।
আপনার মনে আরও কিছু বিষয় থাকলে বলুন, যোগ করে দেবো!


No comments:
Post a Comment