বাংলাদেশের শেয়ারবাজার বুঝে নেওয়া
- ৫ ডিসেম্বর ২০১০-এর আগে শেয়ারবাজারকে "টাকার গাছ" মনে করা হতো।
- অনেকের ধারণা ছিল, এতে বিনিয়োগ করলে দ্রুত লাভ হবে এবং ধনী হওয়া যাবে।
- ২০১০ সালের ধসের পরে এটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
- সত্য হলো: শেয়ারবাজার ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সঠিক জ্ঞান ও কৌশল থাকলে লাভজনক হতে পারে।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুবিধা
- ডিভিডেন্ড ও মূলধন বৃদ্ধির মাধ্যমে ভালো আয় করা যায়।
- ব্যাংক ডিপোজিটের (৬-১২%) তুলনায় বেশি আয় সম্ভাবনা।
- কিছু শেয়ারের দাম ৪ মাসে ৫০% পর্যন্ত বেড়েছে।
- নিজের ব্যবসা না করেও বিভিন্ন কোম্পানির মালিক হওয়া যায়।
- অফিস, কর্মচারী বা ব্যবসার সরাসরি পরিচালনার প্রয়োজন নেই।
- ব্যাংক, ফোন বা অনলাইন মাধ্যমে লেনদেন করা যায়।
- মূলধনী মুনাফা করমুক্ত।
- শেয়ার বিক্রি করে সহজে অর্থ তোলা যায়।
- বিক্রির ৩-৪ দিনের মধ্যে অর্থ পাওয়া যায়।
- বাজারে বন্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আয় পাওয়া যায় (যেমন, ১২-১৩% সুদ)।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ধরন
- কোম্পানিগুলো IPO-এর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে।
- অতিরিক্ত আবেদন হলে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ হয়।
- IPO-এর পরে শেয়ার কেনাবেচা হয়।
- সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনাবেচার কোনো বাধা নেই।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ধাপ
- প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগের জন্য BO (Beneficiary Owners) অ্যাকাউন্ট খুলুন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং ব্যাংক বিবরণী জমা দিতে হবে।
- কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন।
- সঠিক সময়ে শেয়ার কিনে বা বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করুন।
- কোম্পানির আর্থিক রিপোর্ট ও বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝতে চেষ্টা করুন।
সতর্কতা ও পরামর্শ
- শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে পুরোপুরি শিখে নিন।
- ধৈর্য ধরুন এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিন।
- শুধু গুজবে বিশ্বাস করে বিনিয়োগ করবেন না।
No comments:
Post a Comment